বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার কতিপয় পুলিশের উৎকোচ বানিজ্য যেন এখন একমাত্র আয় হয়ে দাড়িয়েছে। কিলো,স্পেশাল,টহল আর ওয়ারেন্ট তামিলের নাম করে প্রতিদিন অসংখ্য নিরীহ-নিরপরাধ লোকজনকে বেকায়দায় ফেলে হাজার হাজার এমনকি লাখ টাকাও হাতিয়ে নিচ্ছে এরা। হাতে গোনা দু’চারজন অফিসার পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জল করলেও কিছু সংখ্যক অফিসার যেন আট-গাঁট বেধেই নামে। এদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে থাকে একশ্রেণীর বিশেষ পেশাধারীরা। সূর্য উঠতে না উঠতেই বিশেষ পেশাধারীরা আশ্রয় নেয় বন্দর থানা কম্পাউন্ডের সামনে আর পুলিশও যেন তাদের সঙ্গে চুক্তি করে আসামীকে নিয়ে বানিজ্যের ফন্দি-ফিকির করে থাকেন। দীর্ঘ দিন ধরে অসাধু পুলিশ আর অর্ধশিক্ষিত ধান্ধাবাজ বিশেষ পেশাধারীর মধ্যে এরূপ যোগসাজশপূর্বক উৎকোচ বানিজ্যের ধারাবাহিকতায় বজায় থাকায় সাধারণ মানুষ হাপিয়ে উঠতে শুরু করছে। জনৈক ভুক্তভোগীর সঙ্গে আলাপচারিতায় জানা যায়,যেখানে পুলিশকে জনগণের বন্ধু বলা হয় সেখানে পুলিশ অর্ধশিক্ষিত বিশেষ পেশাধারীদের সঙ্গে লিয়াজো করে নিরীহ লোকজনকে ধরে এনে ৩৪ আর ৫৫ ধারার নামে বানিজ্য করছে এটা সত্যিই বেমানান। এতে করে একদিকে যেমন পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে অন্যদিকে বিশেষ পেশাধারীরা হয়ে উঠছে বেপরোয়া। এ বিষয়ে প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের নজরদারি অত্যাবশ্যক বলে সচেতন মহল মনে করছে।
