বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
পুলিশ পরিচয় দিয়ে ট্রাকের চালক ও ট্রাকে অবস্থানরত মালিক পক্ষের ২ জনসহ ৩ জনকে বেদম পিটিয়ে গরুবাহী ট্রাক ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। সোমবার বিকেলে গরু মালিক তোফাজ্জল হোসেন মিয়া বাদী হয়ে বন্দর থানায় এ অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। অভিযোগ দায়েরের পর এ ঘটনায় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ট্রাক চালক রফিক (৩৩)কে আটক করেছে। আটককৃত ট্রাক চালক রফিক কুমিল্লা জেলার নবীনগর থানার কোনাঘাটা এলাকার ইসমাইল মিয়ার ছেলে। জানা গেছে, বন্দর থানার দেওয়ানবাগ এলাকার মৃত মুল্লুক চাঁন মিয়ার ছেলে তোফাজ্জল হোসেন ফুলহর ইসলামিয়া মার্কেটের নিচ তলায় মাংসের দোকান নিয়ে র্দীঘ দিন ধরে ব্যবসা করে আসচ্ছে। এ সুবাদে তোফাজ্জল মিয়া গত রোববার ঢাকা গাবতলী হাট থেকে ৩টি মহিষ ও ৪টি গরু ক্রয় করে। পরে রাত দেড় টায় মাংস ব্যবসায়ী তোফাজ্জল মিয়ার সহযোগি নরসিংদী জেলার মনহরদী থানার ডমরমাড়া এলাকার চাঁন বাবু মিয়ার ছেলে আহাম্মদ আলী ও মুন্সিগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ী থানার আপরকাঠী এলাকার মোহাম্মদ আলী মিয়ার ছেলে আমির হোসেন ঢাকা মেট্রো ট-৮৮৮১ নাম্বারের একটি ট্রাক যোগে ৩টি মহিষ এবং ৪টি গরু নিয়ে গাবতলী থেকে বন্দর উপজেলার মদনপুর এলাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। রাত সাড়ে ৩টায় গরুবাহী ট্রাকটি বন্দর উপজেলার দি বারাকা হাসপাতালের ব্রীজের সামনে আসলে ওই সময় মাইক্রোবাস থাকা অজ্ঞাত ১০/১২ জন লোক দ্রুত বের হয়ে পুলিশ পরিচয় দিয়ে গাড়ী থামিয়ে কাগজপত্র দেখাতে বলে। গাড়ী চালক কাজপত্র দেখালে অন্যরা ওই সুযোগে ট্রাকে উঠে ট্রাক চালক ও মালিক পক্ষের ২ জনকে জোর পূর্বক ট্রাক থেকে নামিয়ে তাদেরকে বেদম পিটিয়ে ৩টি মোবাইল সেট, চেক বই, নগদ ২১’শ ৮৫ টাকা ও প্রয়োজনিয় কাগজপত্র এবং গরুবাহী ট্রাক ছিনিয়ে নেয়। পরে ট্রাক চালকসহ ৩ জনকে জোর পূর্বক মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে হাত পা ও চোখ বেধে ফেল এবং কমল পানিয় পান করিয়ে ডেমরা স্টাফ কোয়াটারের সামনে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে বন্দর থানার অফিসার ইনর্চাজ আবুল কালাম তিনি জানিয়েছে, গরুবাহী ট্রাক ছিনতাইয়ের ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আমরা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চালককে আটক করেছি। জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। গরু ও ট্রাক উদ্ধারের জন্য বন্দর থানা পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে। আশা করি ট্রাক ও গরু উদ্ধারসহ অপরাধিদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হব।

