বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
বন্দরে ছাত্রলীগ নেতা মাঈন উদ্দিন মানুকে হত্যা চেষ্টায় ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র-সস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার ৩দিন পর বুধবার দুপুরে এ ঘটনার হোতা সন্ত্রাসী সোহাগের বসতঘরে অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। সন্ত্রাসী সোহাগ নুরবাগ এলাকার নুর মোহাম্মদ মিয়ার ভাড়াটিয়া জব্বর মিয়ার ছেলে। বন্দর ফাড়ির ইনচার্জ এমদাদ হোসেন ও এস আই অজয় কুমার পাল জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জব্বর মিয়ার ছেলে সন্ত্রাসী সোহাগের বসতঘর তল্লাশী চালায়। এ সময় পুলিশ সোহাগের খাটের নিচের তোষকের নিচে থাকা দেশীয় রামদা,ছুরি ও রক্তমাখা বটি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। তবে আসামীদের কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। সূত্র মতে, নাসিক ২২নং ওয়ার্ড’স্থ কোটপাড়া কৃষ্ণপুর এলাকার আলতাব মিয়ার ছেলে অনিক হাসান ও পাশর্^বর্তী বাড়ীর স্বাধীন মিয়ার ছেলে আল আমিনের সঙ্গে তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে বিবাদ চলছিল। উভয়ের মধ্যে বিবাদ মিটাতে বন্দর থানা ছাত্রলীগের ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মাঈনউদ্দিন মানু কোটপাড়া মসজিদ সংলঘœ এলাকায় উপস্থিত হয়। মানুর উপস্থিতি টের পেয়ে নুরবাগ এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে সন্ত্রাসী পাতলা রাজু,নুরুজ্জামান,ইমরান সোহাগ,নয়ন,সুজন,মতিনসহ ১৫/২০জনের একটি সংঘবদ্ধ দল দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে¿ সু-সজ্জিত হয়ে ছাত্রলীগ নেতা মানুর উপর অতর্কিত হামলা চালায়। মানুকে একা পেয়ে সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। মানুর সহযোগীদের সংবাদে বন্দর শাহীমসজিদ থেকে কয়েকজন যুবক গিয়ে আহতাবস্থায় প্রথমে খানপুর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মানুকে ঢামেক হাসপাতালে নেয়ার পরামর্শ দেয়।
