বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
বন্দরে পূর্বশত্রুতার জের ধরে ছাত্রলীগনেতা মাঈনউদ্দিন মানুকে কুপিয়েছে সন্ত্রাসী খান মাসুদের সহযোগী পাতলা রাজু, নুরুজ্জামান, ইমরান, নয়ন, সোহাগ, মতিন, আলআমিন গংরা। গত রবিবার রাত ৯টায় থানার কোটপাড়া কৃষ্ণপুর এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, নাসিক ২২নং ওয়ার্ড’স্থ কোটপাড়া কৃষ্ণপুর এলাকার আলতাব মিয়ার ছেলে অনিক হাসান ও পাশ্ববর্তী বাড়ীর স্বাধীন মিয়ার ছেলে আল আমিনের সঙ্গে তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে বিবাদ চলছিল। উভয়ের মধ্যে বিবাদ মিটাতে বন্দর থানা ছাত্রলীগের ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মাঈনউদ্দিন মানু কোটপাড়া মসজিদ সংলঘ্ন এলাকায় উপস্থিত হয়। মানুর উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসী খান মাসুদের সহযোগী নুরবাগ এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে সন্ত্রাসী পাতলা রাজু, নুরুজ্জামান, ইমরান সোহাগ, নয়ন, সুজন, মতিনসহ ১৫/২০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সু-সজ্জিত হয়ে ছাত্রলীগ নেতা মানুর উপর অতর্কীত হামলা চালায়। মানুকে একা পেয়ে সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। মানুর সহযোগীদের সংবাদে বন্দর শাহীমসজিদ থেকে কয়েকজন যুবক গিয়ে আহতাবস্থায় প্রথমে খানপুর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মানুকে ঢামেক হাসপাতালে নেয়ার পরামর্শ দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করার সঙ্গে সঙ্গে পুরো এলাকা থমথমে ভাব বিরাজ করছে। এদিকে শাহীমসজিদ এলাকায় ছাত্রলীগ নেতা মানুর জখমের সংবাদে স্থানীয় এলাকাবাসী সন্ত্রাসী খান মাসুদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম তাৎক্ষনিক শাহীমসজিদ এলাকায় এসে উত্তেজিত জনতাকে শান্ত হওয়ার পরামর্শ দেন। রাতভর গোটা শাহীমসজিদ এলাকায় পুলিশ প্রহরারও নির্দেশ প্রদান করেন। সোমবার দুপুরে বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালামের নেতৃত্বে ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে তল্লাশী চালায়। পরে তিনি বন্দর খেয়াঘাট এলাকায় অবৈধ ফুটপাত উচ্ছেদাভিযান চালান। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ছাত্রলীগ নেতা মাঈনউদ্দিন মানুর অবস্থা আশংকাজনক বলে তার স্বজনরা জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, বন্দরের সন্ত্রাসী খান মাসুদ বন্দর এলাকায় প্রায় সন্ত্রাসী তান্ডব চালায়।এর আগেও সন্ত্রাসী তার সন্তাসী কর্মকান্ডের জন্য মাদক ও অস্ত্রসহ প্রশাসনের কাছে গ্রেফতার হয়েছেন।ক্ষমতাশীন দলের কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার শ্লেটারে সে আবার জামিনে বের তার সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালায়। অবৈধ ফুটপাত দখল সিএনজি,বেবী ও অটো স্টান্ড অবৈধবভাবে বসিয়ে চাঁদা তুলেন এই গুনধর সন্ত্রাসী খান মাসুদ। শুধু তাই নয় মাদক ব্যবসা ও সেবন কাজে জড়িত এই মাসুদ। বন্দরের অসহায় মানুষ খান মাসুদ ও তার সহযোগীদের অত্যাচারে অতীষ্ট হয়ে পরেছে। তারা সন্ত্রাসী খান মাসুদ ও তা সহযোগীদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ থেকে রেহাই পেতে তার গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন। সে জন্য জেলা পুলিশ সুপার ও স্থানীয় এমপির কাছে হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
