বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
জেলার ফতুল্লার কাশিপুরের হোসাইনী নগর এলাকায় প্রকাশ্যে দুই যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। এই ঘটনায় হয়নি কোনো মামলাও।
এদিকে দুই যুবকের মৃতদেহ ময়না তদন্ত শেষে শুক্রবার বিকেলে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর থেকে হোসাইনী নগর এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
দুপুরে হোসাইনী নগর এলাকার নিহত তুহিন হওলাদার মিল্টন ও তার কর্মচারী পারভেজের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় পরিবারে মাতম চলছে। স্বামীকে হারিয়ে বিলাপ করে কাদঁছেন মিল্টনের স্ত্রী মাজেদা বেগম। আর বলছেন সন্ত্রাসীরা চাদাঁ না পেয়ে মিল্টনকে হত্যা করেছে।
তিনি অভিযোগ করেন, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে পরিবারের লোকজন নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাদের ছায়াবৃত্ত মাল্টিপারপাস প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বাপ্পী, রবিন, শহীদ, আমান, রকি, ফয়সাল, রাসেল শিপুল ও জাহাঙ্গীর বেপারীসহ কয়েজন সন্ত্রাসী দীর্ঘদিন ধরে চাঁদা দাবি করে আসছিল। মিল্টনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে কয়েকদফা চাদাঁও নিয়েছে ওই সন্ত্রাসীরা। তিন চার দিন আগে আবারো চাঁদার দাবিতে রবিন বাহিনী বাড়িতে এসে হামলা করে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে ও লুটপাট চালায়। এ ব্যাপারে ফতুল্লা থানায় জিডি করা হলেও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। যার কারণে সন্ত্রাসীরা এই হত্যাকাণ্ড ঘটানোর সাহস পেয়েছে।
মাজেদা বেগম আরো অভিযোগ করেন, সন্ত্রাসীরা যখন মিল্টনকে খুঁজতে তার ভাড়া বাড়ির তিন তলার ফ্ল্যাটে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছিল ঠিক সেই সময় বাড়ির মালিক ও মিল্টনের পরিবারের সদস্যরা ফতুল্লা থানা পুলিশকে মুঠোফোনে বিষয়টি বার বার জানালেও পুলিশ তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। পুলিশ তড়িৎ ঘটনাস্থলে এলে এই হত্যা সংঘটিত হতো না। সন্ত্রাসীরা মিল্টনের অন্য চার ভাইকেও হত্যার হুমকি দিচ্ছে। তিনি হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
মিল্টনের মেয়ে মাইশা ও নীলা বলেন, বাবাকে যারা হত্যা করেছে তারা চাচুদেরও মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। দুই মেয়েই দাবি জানান, যারা তাদের বাবাকে হত্যা করেছে প্রশাসন যেন দ্রুত তাদের গ্রেপ্তার করে শাস্তির ব্যবস্থা করে।
