বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
আমি মো. মিরাজ হোসেন, পিতা- মোঃ আনোয়ার আলী ও মাতা শিরিন বেগমের কনিষ্ঠ পুত্র। বড় বোন আরিফা মিশু এবার ধানমন্ডি পপুলার হাসপাতালের এমবিবিএস ডাক্তার। আমি মিরাজ এবার নর্থ- সাউদ ইউনিভার্সিটিতে দ্বিতীয় বৎসরে অধ্যায়ন করছি। আমাদের পরিবার মিজমিজি এলাকার শিক্ষিত পরিবারের মধ্যে একটি। গত ২২ সেপ্টেম্বর একটি অনলাইন সহ কয়েকটি পত্রিকায় আমাকে জড়িয়ে অভিযোগ এনে মিথ্যা সংবাদ করেছে। আমি এর তী্ব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা। আর সঠিক নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা একজন প্রকৃত সাংবাদিকের কাজ। সমাজকে বদলাতে সাংবাদিকের কলমকে সবাই বিশ্বাস করে। আর তারাই এমন মিথ্যা ও ভীত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে তাহলে আমরা সাধারণ জনগন কাকে বিশ্বাস করবো। তাদের দিয়ে আমরা সমাজের প্রতিদিনের ঘটনা জানতে পারি। তাদের সংবাদ আয়নার মত সঠিক থাকা প্রয়োজন।
আমার বিরুদ্ধে ও ইমরান, সাজু, টিটু, হাসিব, অনিক ও বড় ভাই মুন্না খান, শাওন খান, জিফাত খানসহ সিদ্ধিরগঞ্জের আব্দুল আলীপুল হতে সিদ্ধিরগঞ্জপুল রুটে চলাচলরত ব্যাটারী চালিত অটোরিক্সা বা ইজিবাইকে চাঁদাবজীর অভিযোগটি সম্পূর্ন মি্থ্যা ও ভীত্তিহীন। একটি কুচক্রী মহল আমাদের হেয় করার জন্য সাংবাদিক ভাইদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করাচ্ছেন। কিছুদিন আগে আমি সহ আরো কয়েকজন মিজমিজি এলাকার মাদক ব্যবসায়ী টাইগার ফারুক ( চ্যাঙ্গা ফারুক) কে মাদক ব্যবসায় বাধা দিয়েছিলাম।এর জন্য ফারুক আমাকে গুম ও খুনের হুমকি দেন। ফারুক গ্রুপে আরও রয়েছে মিজমিজি পাগলাবাড়ি এলাকার কুখ্যাত সন্ত্রাসী (কুট্রির ছেলে ) বাবু, মুদি দোকানদার সামাদের ছেলে আবু সুফিয়ান, কালা জরিপ, রাজমিস্ত্রি লেবারের ছেলে আকাশ, চাকু মিলন ও আরো অনেকে আমাকে প্রতিনিয়ত আমাদের ক্ষতি করার চেস্টা করছেন।
এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের কাছ থেকে জানান, মিরাজ অত্যন্ত নম্র, ভদ্র স্বভাবের ছেলে। মাদক ব্যবসায় বন্ধ করতে প্রতিবাদ করায় মিরাজ , ইমরান , মুন্না খান, শাওন খানসহ আরও অনেকের নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে মানহানির চেষ্টা করছে মাদক ব্যবসায়ীরা। এছাড়া মিরাজ, ইমরান, সাজু, টিটু, হাসিব, অনিক ও বড় ভাই মুন্না খান, শাওন খান, জিফাত খান সহ এই ছেলেগুলো বন্যা ও রোহিঙ্গা ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য মিজমিজি এলাকার ত্রান সংগ্রহের ক্ষেত্রে এদের ভূমিকা ছিল দেখার মত।
