বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সর্ব বৃহৎ শারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষে চর্তুথ বারের মত ব্যক্তিগত তহবিল থেকে আর্থিক সহযোগীতা প্রদান করলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান। এ বছর তিনি নিজ নির্বাচনী এলাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া প্রতিটি পূজা ম-পের ২৫ হাজার টাকা করে ৬৪টি পূজা ম-পে মোট ১৬ লাখ টাকা প্রদান করেছেন। এ নিয়ে গত ৪ বছরে তিনি ব্যক্তিগত তহবিল নারায়ণগঞ্জের পূজা ম-প গুলোতে মোট ৪৩ লাখ টাকা দিয়ে আর্থিক ভাবে সহযোগীতা করেছেন। এ সময় তিনি বলেন এটাকে আমার অনুদান বলা হলে আমি কষ্ট পাবো। এটা আমার কোন অনুদান নয় এটা আমার দায়িত্ব। নিজের দায়িত্ববোধ থেকেই আমি বিগত বছর গুলো থেকে আমার সাধ্যমত আপনাদের পাশে থাকার চেষ্টা করে আসছি। পাশাপাশি মত বিনিময় সভায় সকল বক্তা পূজা ম-প গুলোতে এ বছর খরচ কমিয়ে এনে প্রতিটি পূজা ম-প থেকে যথাসাধ্য সহযোগীতা করে একটি তহবিল তৈরি করে রোহিঙ্গাদের সহযোগীতা করার জন্য ওই তহবিলটি প্রধানমন্ত্রীর ত্রান তহবিল জমা দেওয়ার ব্যাপারে মত প্রকাশ করেছেন। তবে এমপি সেলিম ওসমান বলেছেন, রোহিঙ্গাদের সহযোগীতা করার জন্য যাতে করে উৎসবের আনন্দের ঘাটতি না হয়। আপনারা যেহেতু রোহিঙ্গাদের সহযোগীতা করার আশা প্রকাশ করেছেন অবশ্যই নারায়ণগঞ্জ থেকে সহযোগীতা যাবে সেটা কোটি টাকাও হতে পারে। নারায়ণগঞ্জের ব্যবসায়ীরা সকলে মিলেই সেই সহযোগীতা করবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।
শনিবার ১৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টায় নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের দ্বিতীয় তলায় শীতলক্ষ্যা কমিউনিটি সেন্টারে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর শাখার নেতৃবৃন্দদের সাথে মত বিনিময় সভায় হিন্দু নেতৃবৃন্দদের হাতে সহযোগীতার ওই অর্থ তুলে দিয়েছেন।
এর আগে ২০১৪ সালের ২৬ জুন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের উপনির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে গত ৩ বছরে যথাক্রমে ২০১৪ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর ৫৫টি পূজা মন্ডপে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে মোট ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ২০১৫ সালে ৬৩টি পূজা ম-পের প্রত্যেককে ১৫ হাজার টাকা করে মোট ৯ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, ২০১৬ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ৬০টি পূজা ম-পের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে মোট ১২ লাখ টাকা দিয়ে সহযোগীতা করে ছিলেন।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শংকর কুমার সাহার সভাপতিত্বে ও মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শিখন সরকার শিপন’র সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন আরও উপস্থিত ছিলেন, মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি বাবু চন্দন শীল, সাধারণ সম্পাদক এড. খোকন সাহা, এফবিসিসিআই এর পরিচালক প্রবীর সাহা, বিকেএমইএ সহ সভাপতি ( অর্থ ) জিএম ফারুক, জেলা চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি খালেদ হায়দার খান কাজল, হিন্দু ধর্ম কল্যাণ ট্রাস্টিক পরিতোষ কান্তি সাহা, মহার্তীত লাঙ্গলবন্দ স্নান উৎসব উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক সরোজ কুমার সাহা, মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দীপক সাহা, ১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শওকত হোসেন শকু, ১৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শফিউদ্দিন প্রধান, ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবু, সাবেক ১৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কামরুল হাসান মুন্না, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর (১৩,১৪,১৫) শারমিন হাবীব বিন্নি, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুজন সাহা, যুগ্ম সম্পাদক কমলেশ সাহা, মহানগরের যুগ্ম সম্পাদক সাংবাদিক উত্তম সাহা, কোষাধ্যক্ষ সুশীল দাস, প্রচার সম্পাদক তপন ঘোপ সাধু, মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি লিটন চন্দ্র পাল, সাধারণ সম্পাদক নিমাই দে, সাংগঠনিক কৃষ্ণ আর্চায, সদর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দীলিপ মন্ডল, ফতুল্লার সভাপতি রঞ্জিত মন্ডল, সিদ্ধিরগঞ্জের সভাপতি শিশির ঘোষ অমর, বন্দরের সভাপতি শংকর কুমার, সাধারণ সম্পাদক শ্যামল বিশ্বাস, সাংগঠনিক রিপন দাস সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।




