বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
ঈদের আগে আগস্ট মাসের সম্পূর্ণ বেতন ও পূর্ণ বোনাস পরিশোধের দাবিতে রি-রোলিং স্টিল মিলস শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার উদ্যোগে আজ বিকাল ৫টায় পাগলা বাজারে শ্রমিক সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। রি-রোলিং স্টিল মিলস্ শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি জামাল হোসেনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন রি-রোলিং স্টিল মিলস্ শ্রমিক ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি আবু নাঈম খান বিপ্লব, গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি সেলিম মাহমুদ, রি-রোলিং স্টিল মিলস্ শ্রমিক ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি আফজাল হোসেন, নারায়ণগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক এস,এম,কাদির, পাগলা আঞ্চলিক শাখার সভাপতি মোস্তফা, দপ্তর সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, পঞ্চবটি আঞ্চলিক শাখার সভাপতি মোঃ হানিফ।
নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রতি বছর ঈদ আসলে রি-রোলিং ও স্টিল মিলসগুলোতে বেতন-বোনাস নিয়ে শ্রমিক অসন্তোষ তৈরী হয়। নির্দিষ্ট নিয়ম না মেনে নাম মাত্র বোনাস বকশীষ দেয়ার কারণে এ অসন্তোষ তৈরী হয়। অনেক কারখানায় বোনাসই দেয়া হয় না। রি-রোলিং কারখানায় বেতনের একটা অংশ আটকে রেখে ঈদের ছুটি দেয়া হয়। এতে অসন্তোষ চরম আকার ধারণ করে। মালিকদের স্বেচ্ছাচারিতা ও টালবাহানার কারণে এ সংকট তেরী হয়। প্রশাসন এখানে নির্বিকার থাকে। সরকারী প্রতিষ্ঠানে পূর্ণ বোনাস দেয়া হয়। নেতৃবৃন্দ রি-রোলিং ও স্টিল মিলস্ শ্রমিকদের পূর্ণ বোনাস প্রদানের দাবী করেন। শেষ মূহুর্তে বেতন-বোনাস দিলে শ্রমিকরা এটা দিয়ে পরিবার পরিজনের জন্য কেনাকাটার সুযোগ থাকে না। তার দেশের বাড়িতে যাওয়ার জন্যই ব্যস্ত হয়ে যেতে হয়। তাই সময় হাতে রেখে শ্রমিকদের বেতন বোনাস পরিশোধ করতে হবে। মালিকের একগুয়েমির কারণে কোন অনাকাংক্ষিত পরিস্থিতি তৈরী হলে তার জন্য প্রশাসন ও মালিক কতৃপক্ষ দায়ি থাকবেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, রি-রোলিং মিলগুলোতে শ্রম আইন মানা হয় না। শ্রমিকদের নিয়োগপত্র-পরিচয়পত্র দেয়া হয় না। তাই কোন সমস্যায় শ্রমিক আইনের আশ্রয় নিতে পারে না। পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের আওতায় পাগলা-শ্যামপুর-পোস্তগোলা এলাকায় অনেক রি-রোলিং মিলস উচ্ছেদ হচ্ছে। সেখানে মালিক ক্ষতিপূরণ পেলেও. কর্মরত শ্রমিক ক্ষতিপূরণ পাচ্ছে না। নেতৃবৃন্দ উচ্ছেদের তালিকাভুক্ত সকল কারখানার শ্রমিকদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবী করেন।
