বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
শুক্রবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানা এসআই নাজনীন আক্তারের সু-কৌশলে পাচারকারী চক্রের হাত থেকে সদ্য বিবাহিত নববধূঁ সোনিয়ার আক্তার (২০) উদ্ধারসহ ঐ চক্রের দুই সদস্য কে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, মো.মিঠুন ওরফে মিন্টু(৩৫) তার স্ত্রী আরজিনা আক্তার (৩০)। তারা দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর থানাধীন ধরান্দা গ্রামের অধিবাসী। ফতুল্লার পশ্চিম ধর্মগঞ্জ এলাকায় ভাড়া থাকতো।
পুলিশ ও এলাকা সূত্রে জানাযায়, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পশ্চিম ধর্মগঞ্জ চটলারমাঠস্থ এলাকায় শরীফের বাড়িতে ভাড়া থাকে মো. মনির হোসেন(৪৫) ও তার স্ত্রী মিনারা বেগম(৪০)এবং তার পরিবার। তার মেয়ে সোনিয়া আক্তার ধর্মগঞ্জ রুমা গার্মেন্টসে চাকুরী করে। একই প্রতিষ্ঠানে আরজিনা নামের আরেক নারী শ্রমিকের সাথে পরিচয় হয়। আরজিনা আক্তার নিয়মিত অফিস না করায় তাকে রুমা গার্মেন্টস থেকে বের করে দেয় প্র্্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা। এদিকে, তানিয়ার একই প্রতিষ্ঠানের জামাল (২৫) নামের এক শ্রমিকের সাথে ভালোবাসা সম্পর্ক হয়। তাদের ভালোবাসা সম্পর্ক ঊভয় পরিবার মেনে নিয়ে গত ২৭ জুলাই রাতে শুভ বিবাহ সম্পন্ন হয়। সকালে আরজিনা সদ্য নববধূঁ সোনিয়াকে নিয়ে তার মামার বাসায় যাবে এমন কথা বলে তাড়াতাড়ি গোসল নাস্তা শেষ করে তাকে নিয়ে বের হয়। প্রথমে তানিয়াকে বলে তার ফতুল্লা যাবে ।তাই চটলার মাঠ থেকে অটোরিক্সায় পঞ্চবটি আসে। এরপর সিএনজি নিয়ে ঢাকার মধ্যবাড্ডা যায়। মধ্যবাড্ডা যাৗয়ার পথে আরো দুইটি মেয়ে সিএনজিতে ঊঠায় আরজিনার স্বামী মিঠুণ। এরপর মধ্যবাড্ডা একটি ৬ষ্ঠতলা বিল্ডিংয়ের ৬ষ্ঠতলায় একটি ফø্যাটের ভেতরে একটি রুমে ৩ জনকে আটক রেখে আরজিনা এবং তার স্বামী মিঠুন বাহিরে চলে যায়। তখন সময় সাড়ে ১১টা। এরপর অটক থাকা সোনিয়ার সাথের এক চৌকশ মেয়ে শারমিন (২৫) জ্বানালার ফাঁক দিয়ে আশে পাশের লোকজন বাচাঁও বাচাঁও বলে ডাকাডাকি করলে পাশের ফ্ল্যাটের লোকজন ও রাস্তার লোকজন এসে জড়ো হয়। পরে তালা ভেঙ্গে তিন যুবতীকে উদ্ধার করে। পরে উপস্থিত লোকজন তানিয়া, শারমিন, সুমি (১৫)’র পরিবারকে ফোন করে বিস্তারিত জানান। এদিকে , তানিয়ার বাবা মনির হোসেন মাল ফতুল্লা মডেল থানায় আসে । এসময় এসআই নাজনীন আক্তার ডিউটি অফিসার থাকায় ঘটনার বিস্টতারিত জেনে বলে আরজিনা ও তার স্বামীকে ফোন করে জানাও তোমরা বেড়ানো হয়নি তাড়াতাড়ি বাসায় আসো। তাদেরকে বুঝতে দিবেনা ঢাকার ঘটনা তোমরা জানো। এরপর মনির ঠিক এসআই নাজনীনের কথা মতো সু কৌশল অবলম্বন করে ফতুল্লা বাজার কেন্দ্রীয় ৭মতলা মসজীদের সামনে আরজিনা ওতার স্বামী মিঠুন ওরফে মিন্টুকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পুলিশ মিঠুনের কাছে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারে এই চক্রের মূল হোতা নোভা ফার্নিচারের মালিক আবুল হোসন জড়িত আছে । তাকে বারবার ফোন করেছে আরজিনা সে পুলিশের খবর শুনে ফোন বন্ধ করে ফেলে। এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী এস আই নাজনীন আক্তার জানান আটককৃত আরজিনা ও মিঠু পাচাকারীর সদস্য এরা মেয়েদের বিভিন্ন কৌশলে সংগ্রহ ঢাকার বড় বড় চক্রের কাছে হস্তান্তর করে। যদি মনির হোসেন মামলা করেন তাহলে আমরা মামলা নেব।

