বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল মোড়ে অবৈধভাবে গড়ে উঠা দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর । গতকাল রোববার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত মহাসড়কের দু’পাশে সওজের জায়গায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকান ও যাত্রী পরিবহনের কাউন্টার সহ অন্তত ৫ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।
গত ১৯ জুলাই সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাইনবোর্ডে বিআরটিএ’র ভ্রাম্যমান আদালতের কার্যক্রম পরিদর্শনে এসে সওজ’র জায়গায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার জন্য স্থানীয় প্রশাসন এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রকৌশলীদের নির্দেশ দেন।
গতকাল রোববার সকালে নারায়ণগঞ্জ সড়ক বিভাগের (ভিটিকান্দি) উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ইমরান ফারহান সুমেল ও উপসহকারী প্রকৌশলী সোহেল মাহমুদের নেতৃত্বে পুলিশ প্রশাসনের সহায়তায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড়ের উত্তর ও দক্ষিণ দু’পাশে হাজী আহসান উল্লাহ সুপার মার্কেট, নেকবর আলী সুপার মার্কেট, কাস্সাফ সুপার মার্কেট, হাজী বদরুদ্দিন সুপার মার্কেট, চাঁন সুপার মার্কেট ও পানি উন্নয়ণ বোর্ডের জায়গায় অবৈধভাবে গড়ে উঠা হাবিবুল্লাহ হবুলের মার্কেটের সামনে ফলের দোকান, মহাসড়কের উত্তর পাশে ট্রাফিক পুলিশ বক্সের আশে পাশে গড়ে পরিবহন টিকিট কাউন্টার সহ মহাসড়কের দু’পাশে অবৈধভাবে গড়ে উঠা ফুটপাতের অন্তত ৪ শতাধিক দোকানপাট ও স্থাপনা বোল্ডোজার দিয়ে উচ্ছেদ করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ সড়ক উপ-বিভাগের (ভিটিকান্দি) উপ-সহকারী প্রকৌশলী সোহেল মাহমুদ জানায়, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর নির্দেশে মহাসড়কের দু’পাশে যেসব স্থাপনা অবৈধভাবে গড়ে উঠেছিল সেসব দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। কিন্তু আমরা সকালে উচ্ছেদ করলে বিকালেই পুনরায় দখলদাররা দখল করে নেয়। সেজন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
নারায়ণগঞ্জ সড়ক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠি সওজের জায়গায় ফলের দোকান ও টংঘরসহ বিভিন্ন দোকান নির্মাণ করে অবৈধ ভাবে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। মহাসড়কের একাংশ দখল করে দোকান পাট নির্মাণ করায় প্রতিদিন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজট লেগে থাকে। এমনকি কোটি টাকায় নির্মিত মহাসড়কের দক্ষিন পাড়ের সার্ভিস লেনটিও বেদখল হয়ে যায়। ফলে মহাসড়কের পাশ দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে অবর্ননিয় ভোগান্তিতে পরতে হয় যাত্রীসাধারন ও স্থানীয় এলাকাবাসীকে। পর্যায়ক্রমে মহাসড়কের অন্যান্য এলাকায়ও অভিযান পরিচালনা করা হবে।

