বিশেষ সংবাদদাতা
নারায়ণগঞ্জ চাষাঢ়া রেলওয়ে স্টেশনে সাংবাদিকের ছেলে পরিচয়দানকারী মাদকসেবী মাশারুল আফতাব খান রুদ্র ও তার কথিত প্রেমিকা জেসমিন জেসীর অত্যাচারে মার্কেটের দোকানদাররা অতিষ্ট হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত অবধি চলে তাদের মাদক সেবন ও প্রকাশে অশ্লীলতার রঙ্গলীলা। সাংবাদিকের ছেলে পরিচয়ে দাকানদারদের হুমকি ধামকি দেন ওরা। ওদের ভয়ে চাষাঢ়া রেলস্টেশনের কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না। মার্কেটের পেছন সাইডে দোকান কম খোলা থাকায় সাংবাদিকের ছেলে পরিচয়দানকারী মাদকসেবী রুদ্র ও তার কথিত প্রেমিকা জেসী প্রকাশ্যে অশ্লীলতায় মেতে উঠেন। সাথে চলে ঘন্টার পর ঘন্টা তাদের গাঁজা সেবন। যার কারনে মার্কেটে অবস্থিত অফিসের লোকজন তাদের গাজার গন্ধে ও অশ্লীলতায় অতিষ্ট হয়ে পরেছে। স্টেশনে প্রায়ই তাদের অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখা যায়। লজ্জায় ও ভয়ে মার্কেটের লোকজন তাদের কিছু বলতে সাহস পায় না।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক দোকানদার জানান, চাষাঢ়া রেলওয়ে স্টেশন মার্কেটে অনেকগুলো অফিস ও দোকান রয়েছে। সাংবাদিকের ছেলে পরিচয়দানকারী মাদকসেবী রুদ্র ও তার কথিত প্রেমিকা জেসীসহ তাদের সহযোগীদের অশ্লীলতা, মাদকসেবন ও ছিনতাইয়ের কারনে আমরা অতিষ্ট হয়ে পরছি। ওরা সঙ্গবদ্ধ হয়ে ট্রেনে যাতায়াকারীদের কাছ থেকে মোবাইল সহ সর্বস্ব ছিনতাই করে নিয়ে যায়। মাস খানেক আগে মোবাইল ছিনতাইয়ের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে সাংবাদিকের ছেলে পরিচয়দানকারী মাদকসেবী রুদ্র ও তার কথিত প্রেমিকা জেসী ও তাদের সহযোগীদের সাথে মারামারির ঘটনা ঘটে। পরে তারা দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে যায়। আলাদাভাবে চালাতে থাকে তাদের অপকর্ম। এসকল অপরাধীদের হাত থেকে আমাদের বাঁচাতে পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
আরেক দোকান মালিক জানান, মাদকসেবী রুদ্র ও তার প্রেমিকা জেসীকে প্রায়ই রেলওয়ে স্টেশনে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখা যায়। ওদের কোন লাজ শরম নেই। মার্কেটের পিছনে গেলে দেখা যায় ওরা গাজা সেবন করে। স্টেশনে ওরা একটি ফাস্টফুড খুলেছে যার ভিতরেও চলে ওদের বেহাইয়া পানা। দোকানদারদের কাছ থেকে বাকি খেয়ে রুদ্র ও জেসী টাকা পরিশোধ করে না। টাকা চাইলে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে মিথ্যা মামলা জড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। ওদের ভয়ে আমরা মুখ খুলতে পারিনা। ওদের অত্যাচার থেকে বাঁচতে আমরা স্থানীয় জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
সচেতন মহলের মতে বিশেষ পেশার লোকদের নাম বিক্রি করে এ ধরনের অপকর্ম অশুভনীয়। যা সাংবাদিকতার এই মহান পেশার সুনামকে ক্ষুন্ন করে। ওদের বিরুদ্ধে সাংবাদিক ও পুলিশের রুখে দাড়ানো উচিত।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি কামালউদ্দিন জানান, অপরাধী যেই হোক তাদের ছাড় নেই । চাষাঢ়া রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় গিয়ে আমরা বিষয়টি তদন্ত করে ওদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবো।

