বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
সোমবার বিকেল ৩টায় নারায়ণগঞ্জ মহানগরের ২৪ নং আওয়ামীলীগের উদ্যোগে বক্তারকান্দি মাদ্রাসা সংলগ্ন সড়কে কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়। ২৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি হাজী আবদুস সামাদের সভাপতিত্বে প্রধাণ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বন্দর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম এ রশীদ। ২৪নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ শাহজালাল মিয়ার সঞ্চালনায় সভায় অতিথি হিসেবে ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম চৌধুরী,রোকনউদ্দিন আহমেদ,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জি এম আরমান,যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ূন কবির মৃধা,১৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি হাজী আমজাদ হোসেন,২০নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ডাঃ মোঃ শফিউল¬াহ,২২নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি এবিএম আমিরুল ইসলাম,সাধারণ সম্পাদক কাজী শহীদ আহাম্মদ,২৩নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ সামসুজ্জামান জামান,২৪নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আশিক আহমেদ,২৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ শাহ আলম,২৬নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন আনু,২৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আমানউল¬াহ আমান,২৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম,নারায়ণগঞ্জ মহানগর বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হাকিম,মহানগর মহিলা আওয়ামীলীগের নেত্রী ডলি আক্তার,নুরুন্নাহার সন্ধা,মায়ানূর আহমেদ,নাসিমা বেগম,রাজিয়া সুলতানা,বীরমুক্তিযোদ্ধা জালালউদ্দিন জালু,তাজ মোহাম্মদ,মোঃ লিয়াকত আলী,মোঃ আইয়ুব হোসেন,আওয়ামীলীগ নেতা আলী হোসেন,যুবলীগ নেতা সাব্বির আহমেদ মাসুমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। প্রধাণ অতিথি’র বক্তব্যে আনোয়ার হোসেন বলেন,বঙ্গবন্ধু বলেছেন রাজনীতি মানুষের সেবার জন্য। দীর্ঘ জীবনের রাজনীতিতে একটা জিনিসই পেয়েছি সেটা হচ্ছে জনগনের দোয়া এবং ভালবাসা। মানুষের সেবার মধ্য দিয়ে আমি মহান রাব্বুল আল আমিনের সান্নিধ্য লাভ করতে চাই। প্রশাসনের প্রতি নিন্দা জ্ঞাপন করছি। শামীমকে যারা লাঞ্চিত করেছে তাদরকে শনাক্ত করতে। আওয়ামীলীগ বাংলাদেশের মাটির শিকড় পর্যন্ত অবস্থান করে। আওয়ামীলীগ গণতান্ত্রিক দল। প্রশাসনের ভিতরেও জামায়াতের লোকেরা ঘাপটি মেরে আছে। আমরা কিন্তু চিনি কারা আওয়ামীলীগার আর কারা আওয়ামীলীগের নামাবলী ব্যবহার করে সুবিধা আদায় করছেন। আমি শুনেছি বক্তারকান্দী জামে মসজিদের ইমাম প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব নিয়ে কটুক্তি করেছে। বিএনপি ও জামাতের দোসররা ইমামের পক্ষ নিয়ে শামীমকে লাঞ্চিত করেছে। তাদের এত বড় সাহস হয় কি করে। ইমামের কথা থেকে বুঝা যায় এখানে জামায়াত শিবির সক্রিয় রয়েছে। আমি ইমামকে বলতে চাই আপনি ইসলামী লেবাস ধারন করে কোন গিবত করবেন না,পাপ কাজ করবেন না,এখনো সময় আছে তওবা করে নিজের পাপের প্রায়শ্চিত্ব করুন। জনগন আমাদের শক্তি জনগনই আমাদের বন্ধু। জনগনের পাশে থাকার চেষ্টা করুন,বিপদে তাদের পাশে গিয়ে দাড়ান। আওয়ামীলীগ মানেইতো শান্তির দল। অভিযুক্ত ইমাম যেখানেই থাকুক না কেন তাকে পাপের প্রায়শ্চিত্ব করতেই হবে।’ কিছু কিছু ইমাম আমি দেখেছি অধিক পাপ করে তা জায়েজ করার জন্য ইসলামের নামাবলী গায়ে দিয়ে শুধু বলে বেড়ায় ইসলাম গেল,ইসলাম গেল,ইসলাম গেল। ইসলামের দোহাই দিয়ে কোন অনৈতিক কাজ এখন আর জনগন মেনে নেয় না। এখন মানুষ অনেক সচেতন। ভালকাজ করলে নেকী কামাতে পারবেন আর মন্দ ও পাপ কাজ করলে দুনিয়াতেই সাজা পেয়ে যাবেন।

