বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বললেও প্রকৃতপক্ষে আওয়ামীলীগ এখন ধর্মভিত্তিক রাজনীতির দিকে অগ্রসর হচ্ছে। বিএনপি যেমন জামায়াতকে প্রতিষ্ঠিত করেছে, আওয়ামীলীগ হেফাজতকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাচ্ছে। এরশাদের জাতীয় পার্টি সংবিধানে রাষ্ট ধর্ম করে ইসলামিক রাষ্টের প্রশ্নকে রাজনৈতিক বৈধতা দিয়েছে। আওয়ামীলীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির পৃষ্ঠপোষকতার কারনেই দেশে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি ও সাম্প্রদায়িকতা পাকিস্তান আমলের চেয়ে বর্তমানে বেশি ক্রিয়াশীল। সমাজে এখন ইসলামিক রাজনৈতিক দলগুলো শক্তি সঞ্চয় করছে। শ্রমিক কৃষক ও সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারগুলো সংকোচন করা হচ্ছে। এ ভাবেই প্রকৃতপক্ষে গণতন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হারিয়ে যাচ্ছে। কমিউনিস্ট পার্টির দাবিপক্ষ উপলক্ষ্যে ইসদাইর বাজারে ফতুল্লা থানা কমিটির সমাবেশে নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন।
সিপিবি ফতুল্লা থানা কমিটির উদ্যোগে ১০ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার, বিকাল ৩ টায় ইসদাইর বাজারে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন ফতুল্লা থানা কমিটির সভাপতি রনজিত দাস। বক্তব্য রাখেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শিবনাথ চক্রবর্তী, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য বিমল কান্তি দাস, শহর কমিটির সভাপতি আব্দুল হাই শরীফ, থানা কমিটির সদস্য ইকবাল হোসেন, এম. এ. শাহীন, আলমগীর হোসেন ও ছাত্র নেতা সজীব শরীফ।
সমাবেশে বক্তরা বলেন, সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্বমূলক নির্বাচন পদ্ধতি চালু করতে হবে। গণতন্ত্র সংকোচন করা চলবে না। শ্রমিকদের জাতীয় ন্যুনতম মজুরি ১৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করতে হবে। আদিবাসী ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের হত্যা, উচ্ছেদ বন্ধ করতে হবে। সুন্দরবন বাঁচাতে হবে। রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাতিল করতে হবে। লুটেরা ধনিকদের জোট মহাজোটের বাইরে মেহনতী ও সাধারণ মানুষের বিকল্প রাজনৈতিক মঞ্চ গড়ে তুলতে হবে। কমিউনিস্ট ও বামপন্থীদের বৃহওর ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। ধর্মভিত্তিক রাজনীতি ও সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধ করতে হবে।

