বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
ভোটের আগেই নারায়ণগঞ্জে শুরু হয়ে গেছে নির্বাচনী সহিংসতা। এসময় আওয়ামীলীগ অফিসে হামলা, ভাংচুর চালিয়েছে সন্ত্রাসী বাহিনীরা। এতে বঙ্গবন্ধু, প্রাধানমন্ত্রী ও প্রয়াত সাংসদ নাসিম ওসমানের ছবিও ভাচুর করা হয়। এসময় ১১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী ও ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি চঞ্চল মাহমুদ আহত হয়েছে। সোমবার বিকাল সাড়ে ৪ টায় ১১নং ওয়ার্ড বরফকল এলাকায় আওয়ামীলীগের অফিসের এঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ও র্যাব ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত চঞ্চলকে হাসপাতালে পাঠালে সেখানেও সন্ত্রাসী বাহিনীরা হামলা চালিয়ে তাকে চিকিৎসা নিতে বাঁধা প্রদান করেন।
জানা গেছে, ১১নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও কাউন্সিলর প্রার্থী জমশের আলী ঝন্টুর সাথে আঁতাত করার অভিযোগ উঠে স্থানীয় আওমামীলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে। সোমবার নৌকার প্রচারনার নামে বিএনপির সভাপতি ও কাউন্সিলর প্রার্থী জমশের আলী ঝন্টুর পক্ষে ঘুড়ি মার্কায় ভোট চায় ১১নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মালাউদ্দিন মালু, সাধারণ সম্পাদক জামাল হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জসিমউদ্দিন, মহানগর আওয়ামীলীগ নেতা ভাষানী, জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক উপদেষ্টা আব্দুল সাত্তারসহ বিএনপির নেতারা।
এসময় আওয়ামীলীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী চঞ্চল মাহামুদ নৌকার নামে বিএনপির প্রচারণা কেন করা হচ্ছে তা জানতে চায়। এরপর প্রচারনাকারীরা আওয়ামীলীগের নেতারা কোন জবাব না দিয়ে কয়েক মিনিট পর ১১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে এসে চঞ্চলের উপর হামলা চালায়। আওয়ামীলীগ নেতাদের সাথে বিএনপি প্রার্থী ঝন্টুর ভাই মঞ্জুর হোসেনসহ বিএনপি নেতারাও উপস্থিত ছিল। হামলা চলাকালে বিএনপি নেতারা বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুর করে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
ঘটনার খবর পেয়ে সদর থানার ওসি আসাদুজ্জামান ঘটনাস্থলে গিয়ে চঞ্চলকে উদ্ধার করে। চিকিৎসার জন্য চঞ্চল হাসপাতালে গেলে সেখানে তাকে চিকিৎসা নিতে দেয়নি মালাউদ্দিন মালু ও তার বাহিনী। এদিকে ঘটনাস্থলে পুলিশের পাশাপাশি র্যাবও গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
সদর ওসি আসাদুজ্জামান জানান, খবর পেয়েই আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুরের কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, আমরা গিয়ে ভাংচুর অবস্থায় পেয়েছি। তদন্ত করার পরই মামলা নেওয়া হবে।
