বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে মেঘনা নদীর সোনাময়ী এলাকায় ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলার ডুবির ঘটনায় ২৮ ঘন্টা অতিবাহিত হলেও একই পরিবারের নিখোঁজ ৪ জনের খোঁজ মেলেনি।
গতকাল শ্রক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত সন্ধান পাওয়া যায়নি। সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত তৎপরতা চালিয়ে ট্রলারের সন্ধান পেলেও নিখোঁজদের সন্ধান পাননি। তবে ট্রলারে দুটি গরু ও একটি খাসি মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে আত্মীয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগদান করতে আসার পথে মেঘনা নদীতে ট্রলার ডুবে এক নারী নিহত ও একই পরিারের ৪জন নিখোঁজ হন। নিখোঁজদের সন্ধানে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিস ও কোস্ট গার্ডের ডুবুরি দল। তবে ডুবে যাওয়া ট্রলারের সন্ধান পাওয়া গেলেও নিখোঁজ কাউকে পাওয়া যায়নি।
ট্রলার ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন হেলালউদ্দিন(৫৪),ছেলে সজির হোসেন(২৪), মেয়ে সামিয়া আক্তার (১৭) ও ছেলে সামিন হোসেন (৫)।
ট্রলার ডুবির ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার বিকেলে সোনারগাঁও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা নিখোঁজদের সন্ধানে মেঘনা নদীতে অভিযান পরিচালনা করে। পরে ঢাকা থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে এসে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত চেষ্টার পর নিখোঁজের সন্ধান না পেয়ে উদ্ধার কাজ স্থগিত করে। পরে গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে দ্বিতীয় দিনে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে। সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত তৎপরতা চালিয়ে ট্রলারের সন্ধান পেলেও নিখোঁজদের সন্ধান পাননি। তবে ট্রলারে দুটি গরু ও একটি খাসি মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত নিখোঁজদের সন্ধান মেলেনি।
অপর দিকে ট্রলার ডুবির ঘটনায় নিহত রায়েশা বেগম (৫৫) লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে নিহতের বড় ভাই আবুল কাশেমের কাছে তার লাশ হস্তান্তর করে বৈদ্যেরবাজার নৌ ফাাঁড়ি পুলিশ। নিহত রায়েশা বেগম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কাইল্লাপুর গ্রামের জাকির হোসেনের স্ত্রী।
এদিকে ট্রলার ডুবিতে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় সাজিয়া আক্তারের বিয়ের অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়েছে। তাদের পরিবার ও আত্মীয় স্বজনরা নিখোঁজদের সন্ধানে মেঘনা নদীর তীরে অপেক্ষায় রয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন বলেন, অন্ধকারের কারণে গত বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান স্থগিত রাখা হয়েছিল। শুক্রবার সকাল সাতটা থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল পুনরায় উদ্ধার কাজ শুরু করে। ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি কোস্টগার্ডের সদস্যরাও নিখোঁদের সন্ধানে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। নিখোঁদের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
