বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ কোনো ধর্মই সমর্থন করে না বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
মঙ্গলবার সকালে জাতীয় ঈদগাহে নামাজ আদায়ের পর বঙ্গভবনে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানের বক্তৃতায় এ মন্তব্য করেন তিনি।
আবদুল হামিদ বলেন, সকল ধর্মের মূলবাণী হচ্ছে মানব কল্যাণ। জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ কোনো ধর্মই সমর্থন করে না।
তিনি বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম। তাই ধর্মের অপব্যাখ্যা করে কেউ যাতে সমাজে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করতে না পারে, সে ব্যাপারে সকলকে সজাগ থাকতে হবে।
মুসলমানদের অন্যনতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পালনে হজরত ইব্রাহিম (আ.) এর ত্যাগ থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, কোরবানি আমাদের আত্মত্যাগের শিক্ষা দেয়। ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার মাধ্যমে গড়ে উঠে পরস্পরের প্রতি সহমর্মিতা। ভালবাসা ও ত্যাগের এই আদর্শ আমাদের ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে প্রতিফলিত হলেই পারস্পরিক হিংসা-বিদ্বেষ কমে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে।
কোরবানির শিক্ষা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্যকে ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে প্রতিফলিত করে জাতীয় উন্নয়ন ত্বরান্বিত করি-এটাই হোক এবারের ঈদের অঙ্গীকার, যোগ করেন তিনি।
এ সময় বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্যের কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, ধর্ম যার যার-উৎসব সবার। এটাই সম্প্রীতির এক অনুপম ঐতিহ্য।
জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ শেষে বঙ্গভবনে গিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন রাষ্ট্রপতি। সে সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী রাশিদা খানম ও পরিবারের সদস্যরা। এ সময় প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা সপরিবারে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এ ছাড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকিও রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
