বিজয় বার্তা২৪ ডটকমঃ
স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সরকারের মেয়াদে দেশে মোট ১৩ হাজার ৫৯৬ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপিত হয়েছে। বর্তমানে জাতীয় গ্রিডে ১৩ হাজার ১৭৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হয়েছে।
বুধবার জাতীয় সংসদে সাংসদ মামুনুর রশীদ কিরণের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ তথ্য দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তবে নতুন স্থাপন করা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্ষমতা ক্যাপটিভসহ ১৫ হাজার ৩৫১ মেগয়াওয়াট।
এসময় তিনি বিভিন্ন সরকারের সময় জাতীয় গ্রিডে যোগ হওয়া বিদ্যুতের পরিমাণ তুলে ধরেন। বলেন, ১৯৭২-১৯৮১ সালে ২শ’ ৮৬ মেগাওয়াট, ১৯৮২-১৯৯০ সালে ১ হাজার ৫শ’ ৮৮ মেগাওয়াট, ১৯৯১ সালের মার্চ-১৯৯৬ সালের মার্চ পর্যন্ত ৫শ’ ৮৮ মেগাওয়াট, ১৯৯৬ সালের জুন হতে ২০০১ সালের জুলাই পর্যন্ত ১ হাজার ২শ’ ৮ মেগাওয়াট, ২০০১ সালের অক্টোবর হতে ২০০৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ১ হাজার ২শ’ ৪০ মেগাওয়াট, ২০০৬ সালের অক্টোবর হতে ২০০৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩শ’ ৪৬ মেগাওয়াট এবং ২০০৯ সালের জানুয়ারি হতে ২০১৭ সালের মে পর্যন্ত ৮ হাজার ৩শ’ ৪০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হয়।
শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমান সরকার ২০২১ সালের মধ্যে সবার জন্য বিদ্যুৎ সুবিধা নিশ্চিত করতে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এজন্য ২০১৭’র জানুয়ারি থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ১৬ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতার নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরির কাজ চলছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে সরকারি ও বেসকারি খাতে ১১ হাজার ৩শ’ ৬৩ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৩৪টি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণাধীন রয়েছে। এগুলো ২০১৭ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে চালু হবে।
এছাড়া সরকারি ও বেসরকারি খাতে ৪ হাজার ৯১৭ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৩৪টি বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরির দরপত্র প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারি খাতে ৬ হাজার ৪১৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার ১১টি বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি পরিকল্পনাধীন। আসছে ২০১৮ সালের জুলাই নাগাদ ভারত থেকে আরও ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির কাজ চলছে। আর ২০২৪ সালের মধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে।
