সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে সোনারগাঁয়ের বিভিন্ন ২৩ টি গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন মুসল্লিরা। গ্রামগুলো হলো-সনমান্দী ইউনিয়নের বাংলাবাজার গিরদান,সাদিপুর ইউনিয়নের গণকবাড়ী, পশ্চিম গজারিয়াপাড়া,রতন মার্কেট,হলদাবাড়ি,দক্ষিণ গজারিয়াপাড়া,কোনাবাড়ি উত্তরপাড়া,কোনাবাড়ি,লস্করবাড়ি দক্ষিণপাড়া,গণকবাড়ি দক্ষিণপাড়া,কোনাবাড়ি পশ্চিম পাড়া,হাতুরাপাড়া,সাদিপুর বড় বাড়ি,পূর্ব গজারিয়াপাড়া,বারদী ইউনিয়নে চান্দেরপাড়া,জামপুর ইউনিয়নে আমগাঁও,বাসাবো,মুছারচর মধ্যপাড়া,বস্তল মধ্যপাড়া,শামপুর কলতাপাড়া গ্রাম।
উপজেলার সনমান্দী ইউনিয়নের বাংলাবাজার গিরদান সহ চারটি স্থানে রোববার (৩০ মার্চ) সকাল ৮:৩০ মিনিটে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপনের এমন ধারা গত ১৫ বছর ধরে চলে আসছে। এ সময় ঈদ জামাতের ইমামতি করেন মোঃফারুক।
নামাজ শেষে মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা পালন ও ঈদ উদযাপন করে আসছেন। চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে ঈদ পালনের বিষয়ে তাদের নিজস্ব বিশ্বাস রয়েছে।এখানে প্রায় শতাধিক পুরুষ এখানে নামাজ আদায় করেছেন।
মুসল্লি খন্দকার রিয়াজুদ্দিন বলেন, আমরা সৌদি আরবের সময় অনুসরণ করি এবং সেভাবেই রোজা ও ঈদ উদযাপন করি। এতে আমাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে শান্তি আসে।
নামাজ পড়তে আসা মুসল্লি কবি খন্দকার পনির বলেন,২০১৪ সাল থেকে আমরা এখানে জামাত পড়ি।সোনারগাঁয়ে ৪টি গ্রামে জামাত হয় আমাদের আহালে হাদিসের মসজিদ ২৩ টি। সৌদির সাথে মিল রাখে না আমরা চেষ্টা করি সহি ও সঠিক সময় নামাজ পড়তে।আমরা একদিন আগে নামাজ পড়ি দ্রুততম বাহন নবী করিম (সা:) যোগে ছিলো ঘোড়া ছিলো ঘোড়া দিয়ে পৌছলো।ইয়ামিন থেকে একদিন খবর নিয়ে আসলে নবী করিম (স:) বলেন নামাজের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার। বর্তমান যোগ হলো ইন্টারনেট এর যোগ এবং মোবাইলের যোগ আমরা তাৎক্ষণিক খবর পেয়ে থেকে কোথায় চাঁদ যায়।সেই হিসাবে আমাদের কর্তব্যর মধ্যে পড়ে যায় নামাজ পড়া।ইনফরমেশন পেয়ে আরেদিন নামাজ পড়বে কেমন দেখা নাই!দেশ কিন্ত আল্লাহ ভাগ করেন নাই।বিভিন্ন যুক্তিতর্কের মধ্যে আমরা সৌদের সাথে মিল রেখে দুই ঈদের নামাজ পড়ি।
উপজেলার সোনাখালী থেকে আগত মুসল্লি জোবায়ের জানান, আমি ৯ বছর ধরে এখানে ঈদের নামাজ পড়ি। আমার আম্মু সহ আমার প্রতি বছর এখানে ঈদের জামাত পড়ি।
উপজেলার মূলধারার অন্যান্য মুসল্লিরা চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঈদ উদযাপন করবেন সোমবার।
বাংলাবাজার গিরদান মসজিদে ইমাম মোঃ ওমর ফারুক বলেন,রাসূল (স:) বলেন যদি আল্লাহ কে ভালোবাসত চাও তাহলে আমাকে অনুসরণ কর।আমরা চাই আল্লাহ রাসূলকে ফলো করতে।যিনি আমাদের জন্য মডেল আমাদের লিডার আমাদের নেতা। আমরা আল্লাহ রাসূলের নির্দেশ মানতাছি।কোন দেশকে ফলো করে নয়, সহি হাদিসকে মেনে একদিন আগে ঈদুল ফিতর উদযাপন করছি। আমরা এই নিয়মে গত ১৫বছর যাবৎ ঈদুল ফিতর ও আযহা উদযাপন করছি।
