বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
সিদ্ধিরগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৬ জন খদ্দেরসহ ৬ পতিতাকে আটক করেছে থানা পুলিশ। শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪ টায় নারায়ণগঞ্জ-শিমরাইল সড়কের আটি এলাকায় অবস্থিত রংধনু সিনেমা হলে অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগে তাদের আটক করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
আটককৃতরা হলো, পতিতা পাপিয়া, তানজিলা, হালিমা, পাখি, সনি আক্তার, বিলকিস, খদ্দের শাকিল হোসেন আলী, রনি, আরাফাত, জাকির হোসেন, অহিদুল, রুবেল। আটকৃতদের বিরুদ্ধে আনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানায় পুলিশ।
এলাকাবাসী জানায়, দীর্ঘদিন এ সিনেমা হলটির মালিক জনি প্রশাসনের অসাধু কর্মকর্তা, স্থানীয় মাস্তান ও বিশেষ পেশার ব্যক্তিদের ম্যানেজ করে ছবি প্রদর্শনের অন্তরালে পতিতা দিয়ে দেহ ব্যবসা চালিয়ে আসছে। এলাকাবাসী হলটির মালিককে বার বার বাঁধা প্রদান করলেও সে কোন কর্নপাত করেনি। উল্টো এলাকাবাসীকে প্রশাসন ও গনমাধ্যমকর্মীদেরকে ম্যানেজ করে এ ব্যবসা করছে বলেও হুমকি দিতো। এ নিয়ে কোন বারাবারি করলে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে গনমাধ্যমকর্মীদের দিয়ে ছবি তুলে সংবাদ করারও হুমকি দিতো বলে অভিযোগ রয়েছে।
তারা আরো বলেন, সিদ্ধিরগঞ্জের একটি বিশেষ পেশার কয়েক জন ব্যাক্তিকে ম্যানেজ করে হলের মালিক জনি হলটি চালাতো বলে এলাকাবাসী জানায়। মূলত এ সিনেমা হলে চলচ্চিত্র প্রদর্শনের আড়ালে রমরমা দেহ ও মাদক ব্যবসা চালিয়ে যুবসমাজকে বিপথগামী করে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে দেহ ব্যবসার প্রতি জেলা প্রশাসনের তৎপরতায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পেশাদার পতিতারা এ সিনেমা হলেই বেশি যুকছে। এখানে সিনেমার দর্শকের চেয়ে নারী নিয়ে ফুর্তি এবং মাদক সেবনের নিরাপদ স্থান হওয়ায় যুবসমাজ এখানে বেশী ভির জমায়। এ হলটির আশে পাশে কয়েকটি জনবসতিপূর্ন এলাকা হওয়ায় এসব এলাকার অভিভাবকরা তাদের উঠতি বয়সী ছেলে মেয়ে নিয়ে চরম উৎকন্ঠায় দিনাতিপাত করছে। এ ঘৃন্য কাজের সাথে জড়িত হলটির মালিক জনিকে দ্রæত গ্রেপ্তার ও হলটি বন্ধ করে যুবসমাজকে রক্ষা করার জন্য জেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
অভিযান চালানো সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম রফিক জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রংধনু সিনেমা হলে অভিযান চালিয়ে ৬ খদ্দেরসহ ৬ পতিতাকে অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকা অবস্থায় আটক করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, এই সিনেমা হলটিতে দীর্ঘদিন ধরে পতিতা দিয়ে দেহব্যবসা করা হচ্ছে এমন অভিযোগ ছিলো। অভিযান চলার সময় সিনেমার মালিক জনি পালিয়ে যায়।
