বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
অনলাইন নিউজ পোর্টাল টুডে টাইমসের নামদারী সাংবাদিক খোকন প্রধানের সাথে মাদক ব্যবসায়ীর ফোনলাপের অডিও ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। বিষয়টি টক অব দ্যা টাউনে পরিনতে হয়েছে। যা এখন সাংবাদিকসহ সর্বস্তরের জনগনের মাঝে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইছে। অডিও তে শুধু কথিত সাংবাদিক খোকন প্রধান নয় মাদক ব্যবসায়ীর কাছে থেকে টাকা নেওয়ার বিষয়ে মাসুদ আলী, রানা , আল আমিন, ভাগিনা বাবু, জইল্লার পুলা জয়, ও শাহীনের নাম উল্লেখ্য করা হয়েছে। অডিও তে বলা হয়েছে ফতুল্লা সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা ফরিদ আহম্মেদ লিটনের ভাই শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী বন্দুক মাসুমের ডান হাত হিসেবে পরিচিত মাদক ব্যবাসায়ী শাহীন মাদকসহ পুলিশের কাছে গ্রেফতারের বিষয়টি। যেখানে অডিও তে আরো উল্লেখ্য আছে শাহীনকে গ্রেফতার ও ছাড়ানো পর্যন্ত এবং মাদক ব্যবসায় তাকে কে কে শ্লেটার দেয় সেই বিষয়টিও করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের সচেতন সমাজ মনে করে শুধু কথিত সাংবাদিক খোকন প্রধান নয় তার সাথে যাদের নাম অডিও তে আসছে তাদের সবাইকেও গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।এদের গ্রেফতার করলেই বের হয়ে আসবে আসল রহস্য।ফতুল্লা এলাকায় সুযোগ্য এসপি হারুনের নির্দেশে একের একের পর ছিচকে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হলেও তারপরও ফতুল্লা এলাকায় কমছে না মাদক।ফতুল্লা দাপা ইদ্রাপুর এলাকায় হাত বাড়ালেই পাওয়া যায় মাদক।এসব মাদক যুবকদের মাঝে ছড়িয়ে দিচ্ছে ফরিদ আহম্মেদ লিটনের ভাই বন্দুক মাসুম ও ভাগিনা বাবু এবং তার সহযোগীরা।
তাদের মাদক বিক্রির বিষয়টি এখন ফতুল্লা দাপা এলাকার স্থানীয় এলাকাবাসী সবারই জানা।পুলিশ প্রশাসন একটু নজরদারী করে খোজ নিলে বন্দুক মাসুম ও ভাগিনা বাবু এবং শাহীনের মাদক বিক্রির বিষয়টি জানতে পারবে। আর এসব কিছু চলছে বন্দুক মাসুমের আপন বড় ভাই সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা ফরিদ আহম্মেদ লিটনের ছত্রছায়ায়। তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে ফতুল্লা এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায়
রাখতে পুলিশের পদক্ষেপ নেওয়া জরুরী বলে মনে করেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
এদিকে ডিবি পুলিশের হাতে ৪ শত বোতল ফেনসিডিল সহ মাদক ব্যবসায়ী বন্দুক মাসুমের সহযোগী জলিলকে আটক করা হয়। এঘটনায় জলিল ও বন্দুক মাসুমকে আসামী করে ডিবি পুলিশ মাদক মামলা দায়ের করেন। যার নং- (২৭)২-২০১৮ । এই মাদক ব্যবসায়ী জলিলের ছেলে ভাগিনা বাবুর সহযোগী আল আমিন জয়ের কথাও অডিও তে উল্লেখ্য করা হয়েছে। আরো উল্লেখ্য করা হয় মাসুদ আলী, রানা , আল আমিন, ভাগিনা বাবু, ও শাহীনের নাম। বর্তমানে ফতুল্লা এলাকায় যাদের কেউ করছে মাদক ব্যবসা আর কেউ দিচ্ছে শ্লেটার। এছাড়া কথিত ছাত্রলীগ নেতা ভাগিনা বাবু ও তার সহযোগীরা আওয়ামীলীগের নাম ব্যবহার করে ক্লাব খুলে মানুষের সাথে সেই ক্লাবে চালাচ্ছে নানা অত্যাচার। ফতুল্লা এলাকায় এই ক্লাবটি এখন টর্চার সেল হিসেবে পরিচিত। মানুষ ধরে মারধর করে তাদের সর্বস্ব কেরে নেওয়া হয়। নিরহ মেয়েদের সাথে করা হয় অশ্লীল আচারণ। ফরিদ আহম্মেদ লিটনের রাজৈনিক ক্ষমতা ও কালো টাকার ভয়ে ভাগিনা বাবু ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে কেউ মুখতে চায়না। তবে বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম এ তাদের অপকর্মের একাধীক সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় মানুষের মনে স্বস্তি ফিরে আসতে শুরু করেছে। মুখ খুলছে এখন অনেকই।ইত্যিমধ্যে তাদের অপকর্মের অনেক তথ্য এই প্রতিবেদকের কাছে এসে পৌছেছে। পর্যায়ক্রমে এসব তথ্য পাঠকদের মাঝে তুলে ধরা হবে।
