বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
সোমবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গণসংহতি আন্দোলনের উদ্যোগে অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে মোমশিখা প্রজ্জ্বলন ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। জেলার সমন্বয়কারী তরিকুল সুজনের সভাপতিত্বে এবং নির্বাহী সমন্বয়কারী অঞ্জন দাস এর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সমন্বয়কারী বিপ্লব খান, নির্বাহী সমন্বয়ক পপি রাণী সরকার, জেলার যুগ্ম সমন্বয়কারী আলমগীর হোসেন আলম, মহানগরের অর্থ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বাবু, গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতির নারায়ণগঞ্জ জেলার নেতা দেলোয়ার হোসেন,যুব ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক সাকিব হাসান হৃদয়,বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ জেলার সহ-সভাপতি সাঈদুর রহমানসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
তরিকুল সুজন বলেন, আমরা নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত চাই। যে রাজনৈতিক বন্দোবস্তে রাষ্ট্র জনগণের হয়ে উঠবে। আর এই নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের জন্য চাই, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক পুর্নগঠন। যে পুর্নগঠনের জন্য হাজারো ছাত্র জনতা জীবন দিয়েছিল। বিচার, সংস্কার এবং নির্বাচন এই তিন আজকের বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ। বিগত স্বৈরাচাররা মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছিল। হাজার হাজার মানুষকে গুম করে আয়নাঘরে বন্দী করে রেখে অত্যাচার চালিয়েছে। রাজনৈতিক কর্মীদের নামে হাজার হাজার গায়েবি মামলা দিয়েছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে এবং যাদের দলের প্রতি আনুগত্য আছে, তাদের দিয়ে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা হয়েছে। ফলে এই পুরো রাষ্ট্র ব্যবস্থা একটি দলের, এক ব্যাক্তির রাষ্ট্র হয়ে উঠেছে। জনগণের রাষ্ট্র ক্ষমতাসীনদের জমিদারীতে পরিণত হয়েছে। হাজার হাজার ছাত্র জনতা জীবন দিয়েছে এই রাষ্ট্রকে পুনরুদ্ধারের জন্য। সুতরাং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান হচ্ছে রাষ্ট্র পুনরুদ্ধারের লড়াই। আমরা জীবনবাজি রেখে এই লড়াই করেছি, এই লড়াই জারি থাকবে।
বিপ্লব খান বলেন, আমরা দেখেছি বিগত সময়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ বিএনপি-জামায়াতের নামে জুজুর ভয় দেখিয়ে মানুষের সকল অধিকার কেড়ে নিয়েছ। মানুষের কাছ থেকে ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে ক্ষমতা কুক্ষিগত করেছে। আমরা বর্তমানে আবার দেখতে পাচ্ছি, পতিত ফ্যাসিস্টরা ফিরে আসবে এরকম জুজুর ভয় দেখিয়ে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার, ন্যায্য আন্দোলনকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দমন করছে, এড়িয়ে যাচ্ছে। এটা গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার সাথে সাংঘর্ষিক।

