বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জের ঝাঁলকুড়িতে কোরবানীর বর্জ্য অপসারনে আবারো পদক্ষেপ নিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (সদর ইউএনও) নাহিদা বারিক।
বুধবার রাতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জের লিংক রোডস্থ ঝাঁলকুড়িতে ফেলে যাওয়া কোরবানির বর্জ্য অপসারনে দুই জন চেয়ারম্যানকে সাথে নিয়ে নিজেই এলেন সদর ইউএনও। এর আগে বিকেল থেকে লিংক রোডের বর্জ্যে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে এনিয়ে প্রতিকার চেয়ে অনলাইন মাধ্যমে বিষয়টি ভাইরাল হতে থাকে।
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন লিংক রোডে গড়ে উঠেছে ময়লার ভাগাড়। এর মধ্যে গত কয়েকদিন আগে কে বা কারা কয়েকটি মরা গরু এখানে ফেলে যায়। বিষয়টি সদর ইউএনও নাহিদা বারিকের দৃষ্টিগোচর হলে তিনি তার লোকজন নিয়ে পঁচা দুর্গন্ধযুক্ত গরুগুলো মাটিতে পুতে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। এদিকে ঈদ উপলক্ষে কোরবানী দেওয়া গরুর চামঢ়া ও পরিত্যক্ত অংশ লিংক রোডে আজ বুধবার সকাল থেকে কে বা কারা একে একে ফেলে যায়। এ নিয়ে দূষিত হতে থাকে পরিবেশ। ময়লা আর বর্জ্যের দুর্গন্ধে অসুস্থ্য হয়ে পড়ে নগরবাসী। বিষয়টি নিয়ে নাসিক কর্তৃপক্ষ দেখেও যেন দেখছে না। এমন সময় খবর পেয়ে নাহিদা বারিক রাতেই ছুটে আসেন বর্জ্য অপসারনে। আগামীকাল সকাল থেকে সদর উপজেলার লোকজন এ বর্জ্য অপসারনের কাজ শুরু করবেন বলে আশ্বাস দেন তিনি।

এ বিষয়ে সদর ইউএনও নাহিদা বারিক জানান, যে স্থানে কোরবানীর বর্জ্য ফেলে রাখা হয়েছে সেটি সিটি করপোরেশনের এলাকা এ বিষয়ে তারা কোন পদক্ষেপ না নেওয়ায় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমরা সকালে বর্জ্য অপসারনের উদ্যোগ নিচ্ছি। লিংকে রোডে একদিকে ময়লা আর অন্যদিকে কোরবানীর বর্জ্যে পুরো পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। পঁচা দুর্গন্ধের কারনে এখান দিয়ে মানুষের যাতায়াতের মত না। আমি নিজেই এখানে গন্ধে দাঁড়াতে পারচ্ছি না। খবর পেয়ে আমি সদর উপজেলার আওতাধীন দুইজন চেয়ারম্যানকে সাথে নিয়ে বিষয়টির ব্যবস্থা করতে আসছি। এখন রাত হওয়ায় আমরা সকালে বর্জ্যগুলো অপসারনের ব্যবস্থা করবো। এ কাজে যদি সিটি করপোরশন সহ সকল এগিয়ে আসে তাহলে কাজটি দ্রুত অপসারন করা সম্ভব। এর আগেও আমরা পঁচাদুর্গন্ধযুক্ত গরুগুলো মাটিতে পুতে দিয়েছে।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়াম্যান লুৎফর রহমান স্বপন, কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন হাওলাদার সহ সদর উপজেলার কর্মকর্তা বৃন্দ।

