বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের মেঘনা নদীর চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় টলারডুবি ঘটনায় ১৭ জন নিখোঁজের মধ্যে ১০ জনের লাশ উদ্ধার করেছে ফায়ার ব্রিগেডের কর্মীরা। ডুবে যাওয়ো ট্রলারটিও মাঝনদী থেকে তীরে উঠিয়ে আনে তার। তবে ৭ জন লোক এখনো নিখোঁজ রয়েছে। এরই মধ্যে উদ্ধার অভিযানের সমাপ্তি ঘোষনা করেছে উদ্ধার কর্মীরা। নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি বুলবুল আহমেদ সোহেলের পাঠানো তথ্য ও ছবি নিয়ে রিপোর্ট:
বৃহস্পতিবার বিকেলে রামপুরা থেকে ৫০ থেকে ৬০ জনের একটি দল ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে করে চাঁদপুর জেলার মতলব থানার বেলতলী এলাকায় সোলেমান শাহ ওরফে লেংটার মেলায় যাওয়ার পথে সোনারগাঁওয়ের চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় মেঘনা নদীতে ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারটি ডুবে যায়। ঘটনার পর অনেকেই সাঁতাড় কেটে তীরে ওঠতে পারলেও নিখোঁজ থাকে ১৭ জন ঘটনার দিন রাতেই শিশুসহ চার জনের লাশ উদ্ধার করে স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান চালায় বিআইডব্লিউটি, নৌবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দল। শুক্রবার দুবুরে ডুবে যাওয়া ট্রলারটি শনাক্ত করে ফায়ার ব্রিগেডের ডুবরি দল। সেখান থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উদ্ধার করা হয় ৬ জন নারীর লাশ। তীরে আনা হয় ট্রলারটিও। তবে উপস্থিত স্বজনদের দেয়া মতে পুলিশের তালিকায় রয়েছে শিল্পী বেগম, ইসমাইল মিয়া, ফারুক মিয়া, বাবুল মিয়া, কামাল হোসেন, দেবদাস ও সুমি আক্তার নামের এই সাতজনের।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ পরিচালক মামুনুর রশিদ সন্ধ্যায় উদ্ধার অভিযানের সমাপ্তি ঘোষনা করে বলেন আরো যে সাত জন নিখোঁজ রয়েছে। তাদের লাশ ভেসে হয়তো অন্য কোথাও চলে গেছে। লাশ ভেসে ওাঠার সন্ধান পেলে ফায়ার ব্রিগেডের কর্মীরা তা উদ্ধার করে স্বজনের নিকট হস্থান্তর করতে সহযোগীতা করা হবে।
সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকতার্ (ইউএনও) শাহীনুুর ইসলাম জানান, উদ্ধার অভিযান আপাতত সমাপ্ত। তবে নিখোঁজদের খোঁজে নদীতে তল্লাশী অভিযান চালানো হবে। নিহতদের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহতদের পরিবারের লাশ দাফনের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রত্যেক পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে দেয়া হবে।

