বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি আব্দুল আলী পুল এলাকার মাদক ব্যবসায়ী রুবেলের ২ সহযোগীকে এলাকাবাসী মাদকসহ আটক করে পুলিশে দিলেও পুলিশ এদের মধ্যে একজনে উৎকোচের বিনিময়ে ছেড়ে দেয়ায় এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ওই ২ জনকে পুলিশে সোপর্দের সময় শত শত এলাকাবাসীর চাপের মুখে পুলিশ রুবেলের বাড়িতে অভিযান চালালে সে তখন পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যায়। মাদক ব্যবসায়ী রুবেলের মাদক সা¤্রাজ্যের কারনে এলাকার যুব সমাজ স্কুল-কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থীরা মাদকে আসক্ত হয়ে পড়েছে। ফলে মিজমিজি আব্দুল আলীর পুল এলাকায় চুরি ছিনতাইসহ অপরাধ কর্মকান্ড দিন দিন বেড়েই চলছে। রুবেলর ওই এলাকার রুহুল আমিনের ছেলে। সাত খুনের ঘটনার পর সে শহীদ চেয়ারম্যানের দলে যোগ দিয়ে এলাকায় লুটপাট, দখল বেদখল, সাত খুন মামলার ভয় দেখিয়ে সাধারন ও বিত্তবানদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে এমন একাধিক অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। পুলিশ এ ঘটনায় রুহুল আমিনের ছেলে মূল মাদক ব্যবসায়ী রুবেলের নামে মামলা না দিয়ে শুধুমাত্র তার একজন সহযোগী রাজধানী সূত্রাপুর এলাকার মোজাম্মেল হোসেন মৃধার ছেলে রুবেল হোসেন মৃধার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে আদালতে পাঠায়।
এসব ঘটনায় এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানায়, মঙ্গলবার বিকালে তারা ৭ বোতল ফিন্সিডিলসহ রুবেলের সহযোগী ২ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) ওমর ফারুকে হাতে তুলে দেয়। পরে ওমর ফারুক তাদেরকে পুলিশের গাড়িতে করে নিয়ে যায়। এর আগে শত শত এলাকাবাসীর চাপের মুখে এসআই ওমর ফারুকে রুবেলের বাড়িতে অভিযান চালালে সে তখন পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে তারা জানতে পারে এ ঘটনায় সোপর্দ করা ২ জনের মধ্যে এজনকে এসআই ওমর ফারুক উৎকোচের বিনিময়ে ছেড়ে দিয়ে শুধু মাত্র ১জনের নামে মামলা দায়ের করে। অথচ এলাকার সবাই স্বাক্ষি দেয়ার পরও পালিয়ে যাওয়া মূল মাদক ব্যবসায়ী রুবেলের নামে মামলা দেননি তিনি। অথচ রুবেল ওই এলাকায় ফ্যাক্্ির লোডেল ব্যবসার পাশাপাশি প্রকাশ্যেই দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ড করছে।
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) ওমর ফারুক বলেন, আমি যাকে ছেড়েছি তিনি হলেন পুলিশের হাতে সোপর্দ রুবেল হোসেন মৃধার অভিবাবক। সে মাদক ব্যবসায়ী নয়। মাদক ব্যবসায়ীকে ছাড়াতে গিয়ে জনতার আতে আটক হয়েছিলো তাই তাকে ছেড়ে দিয়েছি।

