বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
সাংবাদিক পুত্র মাদকসেবী মাশারুল আফতাব খান রুদ্র ও তার কথিত প্রেমিকা জেসমিন জেসীর অশ্লীলতা ও মাদক সেবনের সংবাদ প্রকাশে শহর জুরে তোলপাড় শুরু হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদের পর চাষাঢ়া রেলওয়ে স্টেশন মার্কেটের দোকানদাররা সাংবাদিকদের সাধুবাধ জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, সাংবাদিকরা হলো জাতির বিবেক এবং সমাজের আয়না। তারা এমন অপকর্মের সংবাদ প্রকাশ করে সমাজকে আলোর মুখ দেখাবে। চাষাঢ়া রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় মাদকসেবী রুদ্র ও প্রেমিকা জেসীর অত্যাচারে আমরা অতিষ্ট হয়ে যাচ্ছি। ঠিক তখনই সাংবাদিক ভাইয়েরা আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। অপরাধী যেই হোক না কেন তার ছাড় নেই এটা তারা প্রমানিত করেছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো এখনো মাদক সেবী রুদ্র তার সহযোগীদের অপকর্ম বন্ধ হয়নি। শনিবার বিকেলেও ওদের রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় প্রকাশ্যে খারাপ কাজ করতে দেখা গেছে। জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে কোন প্রকার ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আমরা ওদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।
প্রতিদিন সকাল থেকে রাত অবধি চলে তাদের মাদক সেবন ও প্রকাশ্যে অশ্লীলতার রঙ্গলীলা। সাংবাদিকের ছেলে পরিচয়ে দোকানদারদের হুমকি ধামকি দেন ওরা। ওদের ভয়ে চাষাঢ়া রেলস্টেশনের কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না। মার্কেটের পেছন সাইডে দোকান কম খোলা থাকায় সাংবাদিকের ছেলে পরিচয়দানকারী মাদকসেবী রুদ্র ও তার কথিত প্রেমিকা জেসী প্রকাশ্যে অশ্লীলতায় মেতে উঠেন। সাথে চলে ঘন্টার পর ঘন্টা তাদের গাঁজা সেবন। যার কারনে মার্কেটে অবস্থিত অফিসের লোকজন তাদের গাজার গন্ধে ও অশ্লীলতায় অতিষ্ট হয়ে পরেছে। স্টেশনে প্রায়ই তাদের অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখা যায়। লজ্জায় ও ভয়ে মার্কেটের লোকজন তাদের কিছু বলতে সাহস পায় না।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক দোকানদার জানান, চাষাঢ়া রেলওয়ে স্টেশন মার্কেটে অনেকগুলো অফিস ও দোকান রয়েছে। সাংবাদিকের ছেলে পরিচয়দানকারী মাদকসেবী রুদ্র ও তার কথিত প্রেমিকা জেসীসহ তাদের সহযোগীদের অশ্লীলতা, মাদকসেবন ও ছিনতাইয়ের কারনে আমরা অতিষ্ট হয়ে পরছি। ওরা সঙ্গবদ্ধ হয়ে ট্রেনে যাতায়াকারীদের কাছ থেকে মোবাইল সহ সর্বস্ব ছিনতাই করে নিয়ে যায়। মাস খানেক আগে মোবাইল ছিনতাইয়ের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে সাংবাদিকের ছেলে পরিচয়দানকারী মাদকসেবী রুদ্র ও তার কথিত প্রেমিকা জেসীর সাথে তাদের সহযোগীদের মারামারির ঘটনা ঘটে। পরে তারা দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে যায়। আলাদাভাবে চালাতে থাকে তাদের অপকর্ম। এসকল অপরাধীদের হাত থেকে আমাদের বাঁচাতে পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
আরেক দোকান মালিক জানান, মাদকসেবী রুদ্র ও তার প্রেমিকা জেসীকে প্রায়ই রেলওয়ে স্টেশনে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখা যায়। ওদের কোন লাজ শরম নেই। মার্কেটের পিছনে গেলে দেখা যায় ওরা গাজা সেবন করে। স্টেশনে ওরা একটি ফাস্টফুড খুলেছে যার ভিতরেও চলে ওদের বেহাইয়া পানা। দোকানদারদের কাছ থেকে বাকি খেয়ে রুদ্র ও জেসী টাকা পরিশোধ করে না। টাকা চাইলে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে মিথ্যা মামলা জড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। ওদের ভয়ে আমরা মুখ খুলতে পারিনা। ওদের অত্যাচার থেকে বাঁচতে আমরা স্থানীয় জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
এদিকে অনলাইন গনমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে অনেকে ফেসবুকে কমেন্টস করে ওদের ধিক্কার জানিয়েছেন। মাসুদ রানা নামে এক ফেসবুক আইডি থেকে কমেন্টস করেছেন রুদ্র একটা গাঁজা খোর। এমন মাদকসেবী ও তার কথিত প্রেমিকার গ্রেফতারের জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
অনেক পাঠক মন্তব্য করেন, সাংবাদিকের ছেলেরা যদি এমন করে তাহলে আমরা কোথায় যাবো। যারা অন্যের দোষ তুলে ধরে তারই ছেলে আবার অপকর্ম করে। এটা কোন পরিবারের সন্তান। এমন অপকর্মকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের রুখে দাড়াতে হবে।
