বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
মাউর বাবুর কাছে আমি কোন ক্ষমা চাই নাই। আর ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই উঠেনা। মাউরা বাবু ওই সাংবাদিকদের টাকা দিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করেছেন। একটি নিউজ পোর্টালে গত ২৩ জুলাই “সেই দৌলত খানের ক্ষমা চেয়ে ভুল স্বীকার” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে একথা বলেছেন পুলিশের অবসর প্রাপ্ত কনস্টেবল দৌলত খান।
প্রকাশিত সংবাদে লিখিতভাবে ভুল স্বীকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাবু ও ওই সাংবাদিক প্রমান করুক আমি কোথায় লিখিতভাবে নিজের ভুল স্বীকার করেছি ও ক্ষমা চেয়েছি। কোন লিখিত কাগজ আমাকে দেখাতে পারবে ওরা? এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ। আমি কারো কাছে ক্ষমা চাই নাই। ডিস বাবু এখনো আমার মামলায় হাজিরা দেয়। কয়েকদিন হল আমার মামলায় বাবু জামিন নিয়ে আসছে। এখন পাইকাপাড়া এলাকার কিছু স্থানীয় লোকজনদের দিয়ে আমার সাথে আপোষ করার চেষ্টা করছে। স্থানীয়রা বলেছেন বাবু একজন কাউন্সিলর আপনি তার সাথে আপোষ করে ফেলেন। আমাকে কাউন্সিলর বাবু তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে মারধর করেছে। আর আমার মামলাও সত্য। তার কাছ ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই উঠেনা। যেই সাংবাদিক আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করেছে তারা যদি প্রমান না দিতে পারে তাহলে এখন আমি ৫৭ ধারায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করবো।
প্রসঙ্গত, গত ১৪ই মে বিকেলে ডিস বাবু সহ আরো অজ্ঞাত নামা ১০/১২ জন লাঠি সোটা নিয়ে পাইকপাড়া এলাকার বাসীন্দা দৌলত খানের বাড়ীতে হামলা করে এবং মারধর করে। পরে তারা প্রান নাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়। এ বিষয় দৌলত খান নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় আব্দুল করিম বাবুর সহ আরশাদ, রিয়াজ, আরমান, লিটন, সুমন, বদু সহ আরো কয়েকজনের নামে অভিযোগ দায়ের করেন। পরে ১৫ই মে পুলিশ সুপার মঈনুল হকের স্বরণাপন্য হন তিনি। পুলিশ সুপারের নির্দেশে ১৭ই মে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় অভিযোগ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ মামলা রুজু করা হয়। পরে নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবে মাউরা বাবুর বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেন দৌলত খান।
এসময় দৌলত খান সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, মাউরা বাবুর বিরুদ্ধে এতো অভিযোগ থাকার পরও কিভাবে সে মহানগর আওয়ামীলীগের সদস্য পদে বহাল আছেন। আজ তার সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে কেউ মুখ খুলতে চায় না। এসময় জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
এ ব্যাপারে ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবুকে তার ব্যবহৃত ০১৭১১৩৭৭৪২৭ মোবাইল নাম্বারে ফোন দেওয়া হলে তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি।

