স্টাফ রিপোর্টার,বিজয় বার্তা ২৪
বিদ্যমান আইন সময়োপযোগী করার লক্ষ্যে কারাদণ্ড ও জরিমানার বিধান অপরিবর্তিত রেখে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) আইন, ২০১৬-এর খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন করা হয়েছে।
সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে খসড়া আইনটির অনুমোদন করা হয়। খবর বাসস।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকের পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, ‘খসড়া আইনে নতুন ধারণা সংযোজন করে সংশোধন এবং বিদ্যমান আইনের মান উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য বিধান করা হয়েছে। ১৯৮৫ সালে সামরিক শাসনের মেয়াদে একটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছিল।’
তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ‘মান সংক্রান্ত’ পরিবর্তিত বিষয়গুলো সন্নিবেশিত করে আইনটি সংশোধন এবং এর আগে সামরিক শাসনামলের সকল আইন অবৈধ ঘোষণা সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশাবলী অনুসরণ করা হয়েছে।’
বিএসটিআই এর এক্তিয়ার সম্পর্কে বিস্তারিত উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘খসড়া আইন অনুযায়ী সংস্থার গঠন, ইনস্টিটিউটের পরিচালনা, নিরীক্ষা ও হিসাবরক্ষণ এবং বার্ষিক রিপোর্ট পেশ করার বিষয়গুলো ইনস্টিটিউটের অধীনে থাকবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘এতে মান নির্ধারণ এবং লাইসেন্স অনুমোদন ও ইস্যু করার বিষয়গুলোও সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইনের অনুরূপ কারাদণ্ড ও জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।’
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘নোটিশ জারি ও লাইসেন্সের শর্ত সংক্রান্ত আইনের ২৩ ধারা কেউ লঙ্ঘন করলে এক বছরের কারদণ্ড বা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড প্রদান করা যাবে। এ ছাড়া, ২৪ ধারা লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে চার বছরের কারাদণ্ড এবং ২৫ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে।’
মন্ত্রিসভা বৈঠকে কক্সবাজারের মহেশখালীতে ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন আল্ট্রাসুপার ক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং মালয়েশিয়ার দুটি কোম্পানি কনসোর্টিয়াম তেনাগা নাসিওনাল বেরহাদ (টিএনবি) ও পাওয়ারটেক এনার্জি সিন্ডিকেশন বেরহাদের যৌথ উদ্যোগ চুক্তির খসড়া অনুমোদন করা হয়েছে।
সচিব বলেন, ‘চুক্তি অনুযায়ী, টিএনবি পাওয়ারটেক এবং বিপিডিবির মধ্যে ৫০/৫০ ভাগ যৌথ উদ্যোগে প্রকল্পটি নির্মাণ করা হবে।’