বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
বন্দরে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরবর্তী মদনগঞ্জ ট্রলারঘাট এলাকায় বিআইডব্লিউটি এর আকস্বিক উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর সঙ্গে দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় মদনগঞ্জ ট্রলারঘাট এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়ে স্থানীয় রাজনৈতিকবিদ তথা সাবেক উপজেলা বাইস চেয়ারম্যান সানাউল্যাহ সানু ও বন্দর থানা পুলিশসহ গোয়েন্দা বিভাগের কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে। স্থানীয় ডকইয়ার্ড মালিকরা জানান,এখানে সর্বমোট দশটি সরকারী লিজকৃত ডকইয়ার্ডের মধ্যে আল্লাহর দান ও আলীনা নামে দুইটি ডকইয়ার্ড যার মধ্যে বর্তমান বৎসর সমেত সরকারী ট্যাক্স পরিশোধ ও মেয়াদ থাকা সত্বেও বিনা নোটিশে অবৈধ ভাবে উচ্ছেদ নাটকে মরিয়া হয়ে উঠেছে বিআইডব্লিউটি এর কতিপয় অসাধুকর্মকর্তারা। আর মূলত এই ভূমির প্রকৃত মালিক নারায়নগঞ্জ জেলা প্রশাসক। নির্দিষ্ট মেয়াদ থাকা সত্বেও অদৃশ্য শক্তির ছায়ায় বিআইডব্লিউটি এ কোন ক্ষমতা বলে কোন সুবিধা লাভের আশায় উচ্ছেদ নাটকে মাতোয়ারা হয়েছে আমাদের বোধগম্য নয়। আর কোন আইনে আছে বিজ্ঞ ম্যাজিষ্ট্রেট ব্যতিরেকে স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। এ ব্যাপারে নারায়নগঞ্জের বিআইডব্লিউটি এর যুগ্ন পরিচালক আরিফ উদ্দিন অভিযান পরিচালনা কালে মদনগঞ্জ ট্রলার ঘাটের শতশত জনতার তোপের মুখে সংবাদকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, একাধিকবার সরকারী প্রয়োজনেই তাদের দখল ছেড়ে দিতে বলা হয়েছে। তারা শুনেনি প্রয়োজনে তাদের লীজও বাতিল করা হবে। লীজ থাকাবস্থায় তারা সরকারী ট্যাক্স ফাঁকি দিয়েছে। স্থানীয় জনতা জানান,অভিযান চলাচালীন সময়ে উচ্চ আদালতের রিট করেছে বললেও কোন কর্নপাত করেনি। বিগত দিনে ডকইয়ার্ড মালিকদের সাথে উল্লেখিত বিষয়ে নারায়নগঞ্জ ৫ আসনের সাংসদ ও স্থানীয় কাউন্সিলর ফয়সাল মোহাম্মদ সাগর,জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আবুল জাহের,থানা আ’লীগের সভাপতি এমএ রশিদসহ বিষদ বিষয়ে আলোচনা করেন। তাদের অবগত না করে অবৈধভাবে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্দেশ ছাড়াই এ কোন অভিযান কিংবা কিসের ক্ষমতা বলে তারা কারো উপস্থিতি ছাড়াই জোড়পূর্বকভাবে স্থানীয় কতিপয় চিহ্নিত দালালদের উস্কানীতে এই কর্মকান্ড তা নেহাতই অদৃশ্য কোন প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠানকে বিআইডব্লিউটি এর কর্মকর্তা অর্থলোভী মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে বিক্রির পায়তারা ছাড়া কিছুই নয়।

