বিজয় বার্তা২৪ নিউজ ডেস্কঃ
বর্তমান বিশ্বের আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে ফেক নিউজ বা ভুয়া খবর। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ফেক নিউজ নির্বাচনী ফলাফলেও প্রভাব রেখেছে বলে অনেকের ধারণা। তবে, ফেক নিউজ ঠেকাতে ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর উদ্যোগের পর এবার এ নিয়ে সরব হয়েছে উইকিপিডিয়া। অনুসন্ধান ওয়েবসাইটটির প্রতিষ্ঠাতা জিমি ওয়ালেস নতুন একটি নিউজ প্লাটফর্ম দাঁড় করানোর প্রচেষ্টা হিসেবে উইকিট্রিবিউনের নাম ঘোষণা করেছেন। কোন সংবাদের বস্তুনিষ্ঠতা নিয়ে সঠিক তথ্য দেবে উইকিট্রিবিউন। উইকিট্রিবিউন বিষয়ে উইকিপিডিয়ার ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে, আপনার পাঠ করা সত্য বিষয়গুলোর স্থানীয় এবং বৈশ্বিক দুই ক্ষেত্রেই একটি বাস্তব প্রভাব রয়েছে।
উইকিট্রিবিউনে যেসব খবর প্রকাশিত হবে সেগুলো পেশাদার সাংবাদিকরাই লিখবেন। এ ছাড়াও ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরাও এসব খবরের পুনঃসংযোজন ও সংশোধন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন। একটি স্বেচ্ছাসেবক দল এই প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করবে। উইকিট্রিবিউন জানিয়েছে, সংবাদ সূত্রের দিক থেকে এটি হবে স্বচ্ছ। ভিডিও এবং অডিওসহ যে কোনো সাক্ষাৎকারকে সম্পূর্ণরূপে প্রতিলিখন করা হবে। ওয়ালেস বলেন, এটি হবে পেশাদার, সাংবাদিকতার মান বজায় রাখা হবে এবং সারাবিশ্বে ছড়িয়ে থাকা উইকি টিম যারা সংবাদের বিশুদ্ধতা নিয়ে কাজ করছে তাদের কাছ থেকে মৌলিক ধারণা নিয়ে এটিকে আরও সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলা হবে। ওয়ালেস জানান, বিজ্ঞাপন এবং গ্রাহক বাড়ানোর চেয়ে, পোর্টালটির সমর্থকরাই এর অর্থায়ন করবে। এছাড়া উইকিট্রিবিউন বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেক নিউজ বা ভুয়া খবর চিহ্নিত করে এর বিস্তৃতি রোধ করতেও সচেষ্ট হবে এবং সংবাদের নাড়ি নক্ষত্রের অনুসন্ধান চালাবে। তবে, অনেকেই বলছে উইকিপিডিয়া নিজেই ভুল তথ্যের ঝামেলায় ভোগছে। এই ইন্টারনেট এনসাইক্লোপিডিয়ায় প্রতি সেকেন্ডে গড়ে ১০টি ভুল তথ্য সংযোজন করা হয়। যদিও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এসব তথ্য যাচাই-বাছাইয়ে একটি ইন্টারনেট পুলিশ বাহিনী গঠন করেছে সাইটটি।
