বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরিফুল আলম বলেছেন, মসলিন বাংলাদেশের প্রাচীন ঐতিহ্য। আমরা এই ঐতিহ্যকে অন্বেষণ করার সুদূর ইংল্যান্ড পর্যন্ত গিয়েছি। আমরা সেখান থেকে এই ঐতিহ্য নিয়ে এসেছি। পাশাপাশি বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আমরা খুঁজে আমাদের এক্সপার্ট যারা আছেন উনারা ইতিমধ্যে এটার নমুনা সংগ্রহ করে ডিএনএ টেস্ট করে এটার প্রকৃত যে অবস্থান সেটা নির্ণয় করে এটাকে সংরক্ষণের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এটার ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গবেষণা কার্যক্রম, মার্কেট প্রসার, বীজের বিভিন্ন ডাইভাসিফিকেশন, বিভিন্ন উন্নত জাত এগুলো অণে¦ষণ করা এটার কাজই এখান থেকে হবে। সেক্ষত্রে প্রয়োজনীয় যা যা পদক্ষেপ নেওয়া দরকার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার সকালে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার তারাব এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড পরিচালনায় ঢাকাই মসলিন হাউজ ও জামদানি ভিলেজ পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরিফুল আলম বলেন, জামদানি ভিলেজের প্রকল্পটা সম্পন্ন করার জন্য আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। এই প্রকল্পের মেয়াদ এ বছর শেষ হওয়ার কথা, প্রকল্পটি যাতে সূচারুরূপে সম্পন্ন করার হয় এজন্য আমরা প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি করার চিন্তা ভাবনা করছি। এটার প্রাথমিক কাজ মাটি ভরাট, সীমানা দেয়াল, ড্রেনেজসহ সকল কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এখানে ছয়তলা ও তিনতলা দুটি ভবন হবে। আমাদের দরপত্রের প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। আমরা এই মেয়াদের মধ্যে কাজটি শেষ করতে পারবো। চলতি অর্থ বছরেই মসলিন প্রযুক্তিটি যারা আগ্রহী তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
বন্ধ পাটকল চালু করা প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে এটা ছিল। বন্ধ পাটকলগুলো চালু করা হবে। ইতিমধ্যে বন্ধ পাটকলগুলো চালু করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি, যুগ্ম জাহিদ হোসেন, সাইফুল ইসলাম জেলা প্রশাসক মো: রায়হান কবির, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সী, রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
