বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ঈদ হান্টিংয়ে মেতে উঠেছে পুলিশ। টাকার নেশায় মত্ত হয়ে সোমবার দিবাগত রাত ১টায় ধামগড় ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক রাশেদ ও তার সহকারী তোয়াব মাত্র ১লাখ টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দিয়েছে স্বর্ন চুরি মামলার আসামী কুড়িপাড়া এলাকার সালামত আলীর ছেলে কাইয়ুম (৪০)কে। এ ঘটনায় গোটা ধামগড় জুড়ে বেশ তোলপাড় সৃস্টি করে। যেই মুহুর্তে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানা ও জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাফল্যে জেলা পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জল করছে ঠিক সেই মুহুর্তে ধামগড় ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক রাশেদ ও তোয়াবের উৎকোচ বানিজ্যের ঘটনাটি সেই সকল ভাবমূর্তির ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে। ধামগড় এলাকার জনৈক বাসিন্দা জানান, একজন সাধারণ মানুষকেও রাতে ঘোরাফেরার জন্য পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে ৩৪ ধারায় হলেও চালান করে অথচ ডাকাতি মামলার ওয়ারেন্ট থাকা স্বত্ত্বেও কাইয়ূমকে মাত্র ১লাখ টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দিয়ে পুলিশের বদনাম করেছেন। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া দরকার। প্রকাশ থাকে যে,কাইয়ূম সুদূর চট্রগ্রামের সিএমএম আদালতে ৩৮০,১১৪,৫০৬/৩৪ ধারায় একটি মামলা রয়েছে। যার নং ২৮২/১৫ ওই মামলার ওয়ারেন্টের প্রেক্ষিতে রাশেদ ও তোয়াব সোমবার দিবাগত রাত ১টায় তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করে। এ ব্যাপারে উপ-পরিদর্শক রাশেদের ব্যবহৃত (০১৭১৯১৩০৯৪০ নম্বরের)মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

