বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
‘রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরো দিবো এদেশে মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ’ ‘তোমাদের যার কাছে যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো’ সোমবার ১৫ আগস্টের দিন ঘোটা বন্দর জুড়ে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর কণ্ঠে সেই ঐতিহাসিক ভাষনের খন্ড খন্ড অংশই কানে ভেসে এসেছে। সামান্য কয়েক মিনিটের দুরুত্বের পথ অতিক্রম করলেই বঙ্গবন্ধুর এ ভাষন শুনতে পাওয়া গেছে। জাতীয় শোক দিবসে বন্দরের এ বছরের আয়োজন রীতিমত নজির সৃষ্টি করেছে। অন্য জেলার মানুষ যদি সোমবার দিনভর ঘোটা বন্দরে ঘুরতে আসতো তাহলে হয়তো ওই ব্যক্তি মনে মনে বলেই ফেলতো ঘোটা বন্দর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আর্দশের এবং আওয়ামীলীগের ঘাটি এবং বন্দরই যেন বঙ্গবন্ধুর জন্মস্থান।
সোমবার দিনভর কর্মসূচীতে অংশ গ্রহনের পর বিভিন্ন স্পটে ঘুরে আওয়ামীলীগ ও জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা এমনই মন্তব্য করেছেন।
এর আগে রোববার নিজ নির্বাচনী এলাকার সদর ও বন্দর উপজেলার মোট ৭টি ইউনিয়ন ও সিটি করপোরেশনের ১৭টি ওয়ার্ড এলাকায় ১৫দিন ব্যাপী কর্মসূচী ঘোষণা করেন সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান। কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বন্দরে ৫টি ইউনিয়ন ও সিটি করপোরেশনের ৯টি ওয়ার্ড এলাকায় প্রায় ৩ শতাধিক স্পটে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলেক্ষ্যে মিলাদ, দোয়া ও কোরানখানির আয়োজন করা হয়। মিলাদ ও দোয়া শেষে অসহায় ও শিশুদের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরন করা হয়।
এমন ব্যাপক আয়োজনের উদ্যোক্তা নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান সোমবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত প্রায় শতাধিক স্পটে ঘুরে ঘুরে রান্না করা খাবার বিতরন করেন। এ সময় তিনি নিজ হাতে খাবারের পাত্র নিয়ে ঘুরে ঘুরে শিশুদের থালায় খাবার তুলে দেন। তাদের সাথে বসে কথা বলেন। তাদের পছন্দের খাবার সম্পর্কে জানতে চান। কোন কোন শিশু তার প্রিয় খাবারে বিরিয়ানির নাম বললে সেলিম ওসমান তার কাছ থেকে জন্মদিনের তারিখ জানতে চান এবং তাদের জন্মদিনের দিন স্থানীয় কাউন্সিলর বা চেয়ারম্যান মেম্বারদের অবগত করে দিতে বলেন। যাতের জন্মদিনের দিন ওই শিশুর জন্মদিনে তাদের পরিবারের সবাইকে বিরিয়ানী খাওয়ানোর আয়োজন করে দিবেন বলেন। সেলিম ওসমানের এমন কথা শুনে অবুঝ শিশুরা একত্রে হাতি তালি দিয়ে উঠেন।
সোমবার প্রতিটি স্থানে সেলিম ওসমানের সাথে ছিলেন মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক আবুল জাহের ও বন্দর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি এম এ রশিদ।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, মহানগর জাতীয় পার্টির আহবায়ক সানাউল্লাহ সানু, জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহবায়ক আফজাল হোসেন, কলাগাছিয়া ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি বাচ্চু মিয়া, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর খোরশেদ সাগর, আনোয়ার হোসেন আনু, মোহাম্মদ হোসেন, সিরাজুল ইসলাম, সাইফুদ্দিন আহম্মেদ দুলাল প্রধান, নারী কাউন্সিলর ইসরাত জাহান খান স্মৃতি, ইফাত জাহান মায়া, কলাগাছিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন প্রধান, বন্দর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন, মুছাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেন, মদনপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম এ সালাম, ধামগড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাসুম আহম্মেদ, জাতীয় পার্টি নেতা কামাল হোসেন, আওয়ামীলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম, বন্দর থানা ছাত্রলীগের সহ সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন কমল সহ আওয়ামীলীগ জাতীয় পার্টি সহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

