বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
অর্থ লেনদেনকে কেন্দ্র করে রানাকে রাজধানীর শ্যামপুরের জুরাইন এলাকায় নিজবাড়িতে কুপিয়ে হত্যা করেন সাব্বির ও তার ভাই সাজ্জাদ। পরে লাশ বাড়িতেই ২-৩ দিন রাখেন। এরপর লাশের হাত-পা বেঁধে বস্তাবন্দি করে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানাধীন সিএসআরএম ডেইরি ফার্ম এলাকায় ফেলে রেখে যান। এ ঘটনার প্রায় ৭০ দিন পরে এ হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে র্যাব।
সোমবার র্যাব-১১, সিপিসি-১ এবং র্যাব-১০, সিপিএসসি এর যৌথ অভিযানে প্রধান আসামি মো. সাব্বির হোসেনকে শ্যামপুর থানাধীন জুরাইন এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি শ্যামপুর ব্রিজ এলাকার খোকন মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।
বিকেলে র্যাব-১১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানভীর মাহমুদ পাশা জানান, গত বছরের ৯ ডিসেম্বর সকালে ফতুল্লা মডেল থানাধীন সিএসআরএম ডেইরি ফার্মের সামনে রাস্তার ওপর বস্তাবন্দি একটি অর্ধগলিত অজ্ঞাত লাশ পাওয়া যায়। এরপর ভিকটিমের পরিচয় জানতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদপত্রে প্রচার করা হয়। পরে ভিকটিমের ছবি ও পরিহিত পোশাক দেখে নিহতের পরিবার লাশ শনাক্ত করে। নিহত রানা শ্যামপুর ব্রিজ এলাকার মৃত আব্দুল করিমের ছেলে।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সাব্বির ও ভিকটিম রানা পূর্ব পরিচিত এবং একই এলাকার বাসিন্দা। তারা নিজেদের মধ্যে টাকা-পয়সা লেনদেন সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের জন্য সাব্বিরের বাসায় একত্রে মিলিত হন। টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সাব্বির ও তার ভাই সাজ্জাদ ছুরি দিয়ে রানার বুকে আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। পরে তাদের বাসায় ২-৩ দিন লুকিয়ে রাখেন। এরপর গত ৯ ডিসেম্বর ভোরে সাব্বির ও তার ভাই সাজ্জাদ ফতুল্লা মডেল থানাধীন সিএসআরএম ডেইরি ফার্ম এলাকায় বস্তাবন্দি লাশ ফেলে পালিয়ে যান।
উল্লেখ্য, গ্রেফতারকৃত আসামি সাব্বিরের বিরুদ্ধে ডিএমপি কদমতলী থানায় একটি ছিনতাইয়ের মামলা চলমান রয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

