বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় চায়ের দোকানে বসাকে কেন্দ্র করে মামুন নামে এক যুবককে ছুড়িকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এসময় নূরনবী নামে আরেক যুবক গুরুত্বর আহত অবস্থায় ঢামেকে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
সোমবার (৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ফতুল্লার ইসদাইর স্টেডিয়াম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মামুন ফতুল্লার ইসদাইর বুড়ির দোকান এলাকার প্রফেসারের ভাড়াটিয়া বাবুল। আহত নুরনবী টাগারপাড় হক বাজার এলাকার মান্নান মিয়ার পুত্র।
ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার বিকেল পাঁচটায় ফতুল্লা মডেল থানার ইসদাইর স্টেডিয়াম সংলগ্ন নুর ডাইংয়ের পেছনের মাঠে।
নিহতের বন্ধু শফিকুল জানায়, বিকেল চারটার দিকে তাকে ফোন করে নিহত শফিকুল।ফোন করে তার বাসার পেছনে আসে নিহত মামুন। পরক্ষনেই আসে নিহত মামুনের বন্ধু আহত নুরনবী। এর কিছুক্ষন পরেই সাইফুল,পায়েল, জয় সাদ সহ ১০-১৫ জন মামুন এবং নুরনবীকে পেয়ে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। এতে দুজনই মারাত্নক আহত হয়। তাদের কে উদ্ধার করে শহরের খানপুর হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে মারা যায় মামুন। আশংকাজনকবস্থায় নুরনবীকে নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। তিনি আরে জানান,কোরবানী ঈদের পূর্বে বড় ভাই এবং ছোট ভাই নিয়ে মারামারি হয় সাইফুল গ্রুপের সাথে। সে সময় তা স্থানীয় বড় ভাইয়েরা মিমাংসা করে দেয়। আজ বিকেলেও নুরনবীর সাথে এদের কথা কাটাকাটি হয়।এর জের ধরেই এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটায়।
এ ব্যাপারে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো. মহসিন জানান, চায়ের দোকানে বসা নিয়ে সাইফুল ও মামুনদের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। প্রাথমিকভাবে ধারনা করা যাচ্ছে সিনিয়র জুনিয়র নিয়ে তাদের মধ্যে মারামারি হয়। সাইফুল ও তার লোকজন মামুন ও নূরনবীকে ছুড়িকাঘাত করে। এ ঘটনায় মামুন নামে যুবকের মৃত্যু হয় ও নূরনবী নামে আরেক যুবক আহত রয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। হত্যার মূল কারন তদন্ত করা হচ্ছে এবং তদন্ত শেষে বলা যাবে

