বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জে চমক দেখাতে চায় জাতীয় পার্টি। তাই পূর্ব প্রস্তুতি হিসাবে ইতোমধ্যেই ৫টি আসনে সম্ভাব্য একাধিক প্রার্থীর নাম দলের চেয়ারম্যান বরাবরে পাঠানো হয়েছে জেলা জাতীয় পার্টি সূত্রে জানা গেছে। এ ছাড়াও দলের মনোনয়ন নিশ্চিত করার জন্য জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে ইতোমধ্যে লবিং শুরু করেছেন কয়েকজন প্রার্থী। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জে চমক দেখাতে চায় জাতীয় পার্টি। গত সংসদ নির্বাচনে সৌভাগ্যক্রমে জেলায় জাতীয় পার্টির ২ জন সাংসদ পেলেও আগামীতে জনগণের ভোটেই নির্বাচিত হয়ে আসতে চায় জাতীয় পার্টির বর্তমান সাংসদরাসহ ৫টি আসনের সম্ভ্যাব্য জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা। জাতীয় পার্টির দুইজন সাংসদ ইতোমধ্যে জেলায় বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডে ভূমিকা রেখেছেন। জাতীয় পার্টির সাংসদদ্ধয় তাদের নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক ঘটানোর মাধ্যমে তাদের অবস্থান শক্ত করতে সক্ষম হয়েছেন। উন্নয়নের মাধ্যমে সাংসদ সেলিম ওসমান এবং সাংসদ লিয়াকত হোসেন খোকা নারায়ণগঞ্জের মাটিতে জাতীয় পার্টির অবস্থান পূর্বের চেয়ে অনেকটাই ভাল অবস্থানে রয়েছেন। দেশের বড় দুটি রাজনৈতিক দল বিএনপি ও আওয়ামীলীগের প্রার্থীদের সাথে নির্বাচনে প্রতিযোগিতা মূলক ইমেজ সৃষ্টিতে সক্ষম হয়েছেন। এ ছাড়াও জাতীয় মহিলা পার্টির কার্যক্রম জেলাব্যাপী বৃদ্ধি পাওয়ায় সংগঠন মজবুত হয়েছে বলে মনে করেন জাতীয় পার্টির তৃনমূল নেতৃত্ব।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ জেলা জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে দলের চেয়ারম্যান বরাবরে ৫টি আসনে নির্বাচন করার জন্য একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম পাঠানো হয়েছে। নেতৃবৃন্দ মনে করেন, জেলার যুব সমাজ এখন জাতীয় পার্টি মুখী হয়েছে। নতুন প্রজন্মের নেতাকর্মীদের এখন ভরসার স্থান একমাত্র জাতীয় পার্টি। জাতীয় পার্টি ছাড়া সব রাজনৈতিক দল ব্যর্থ হয়েছে। সব রাজনৈতিক দল অরাজকতা ও হানাহানি উপহার দিলেও জাতীয় পার্টি দেশের উন্নয়ন উপহার দিয়েছে। নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সাংসদ লিয়াকত হোসেন খোকা বলেন, গত সাড়ে ৩ বছর জাতীয় পার্টির জনপ্রতিনিধিদের কার্যক্রম জনগণ দেখেছে। জাতীয় পার্টির সাংসদ থাকলে কিভাবে উন্নয়ন হয় তা প্রমান হয়েছে। তাই জাতীয় পার্টিকে ভোট দেওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছে সাধারণ মানুষ। এদিকে গতবারের মত বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় নির্বাচিত হতে পারবে এমন আশা করে অনেকেই প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন বলে অভিজ্ঞ মহলের ধারণা। যার ফলে প্রার্থীর সংখ্যা বেড়েছে।
