বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
আগামি একাদশ জাতীয় সাংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা এড.তৈমুর আলম খন্দকার ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কিং মেকার মোহাম্মদ আলী এবং ফতুল্লা থানা বিএনপির সহ-সভাপতি এম এ হোসেন সাঈদ ওরফে পাঞ্জাবী সাঈদ গোপন বৈঠক করেছে বলে জানা গেছে। গত শনিবার বিকেলে ফতুল্লার বক্তাবলী এলাকার ওয়ারিশ আলীর কুলখানি অনুষ্ঠানের অন্তরালে অতি গোপনীয়তা রক্ষা করে এ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সাংসদ গিয়াস উদ্দীন উপস্থিত খাকলেও তাকে ছাড়াই উল্লেখিত বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী নির্ধারন ও নির্বাচনী রোডম্যাপ কেমন হবে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে বৈঠকে উপস্থিত একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। তবে এ বৈঠকের বিষয়ে চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এড.তৈমুর আলম খন্দকার প্রথমে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও পরে তিনি জানান, এটা কোন গোপন বৈঠক নয়’ একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করেছিলাম।
সূত্রে জানা যায়, ঘনিয়ে আসছে একাদশ জাতীয় সাংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনে বিএনপির দলীয় সমর্থন পেতে মরিয়া প্রার্থীরা। দলীয় সমর্থন নিয়ে নির্বাচন করার লক্ষ্যে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন একাধিক প্রার্থী। দলের দুঃসময়ে দলীয় কর্মসূচী পালন করার লক্ষ্যে নির্বাচনে ইচ্ছুক একাধিক সম্ভ্যাব্য প্রার্থীকে মাঠে দেখা না গেলেও দলের প্রভাবশালী ব্যাক্তিদের ম্যানেজ করে নির্বাচন করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন তারা। এমনকি নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সাংসদ গিয়াস উদ্দীন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্ঠা এড.তৈমুর আলম খন্দকারের সাথে বৈঠকও করেছেন। অপরদিকে নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনে বিএনপির প্রার্থী নির্ধারনসহ পছন্দের প্রার্থীকে জয়ী করার ব্যাপারে মুরুবীখ্যাত কিং মেকার মোহাম্মদ আলী অগ্রনী ভূমিকা পালন করবে বলে সম্ভ্যাব্য প্রার্থীরা মনে করেন। প্রবাদ রয়েছে কিং মেকার মোহাম্মদ আলীর আর্শিবাদ যার উপরেই পড়ে তাকে আর নির্বাচন নিয়ে চিন্তিত থাকতে হয় না বরং কিং মেকার মোহাম্মদ আলীর ফর্মুলায় সামনের দিকে এগিয়ে গেলেই সফলতা চলে আসে। এছাড়াও কেন্দ্রে রয়েছে তার অদৃশ্য শক্তি এমনটাই মনে করেন নারায়ণগঞ্জের রাজনীতি ব্যাক্তি থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ। নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনে নির্বাচনে আগ্রহী প্রার্থীদের দলীয় সমর্থনের ব্যাপারে তার বিশাল ভূমিকা খাকবে বলেও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারনা। আর এ জন্যই নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনে নিজ বলয়ের প্রার্থী নির্ধারনের ক্ষেত্রে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদাজিয়ার উপদেষ্টা এড.তৈমুর আলম খন্দকার, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোহাম্মদ আলী এবং ফতুল্লা থানা বিএনপির সহ-সভাপতি এম এ হোসেন সাঈদ ওরফে পান্জাবী সাঈদ সামাজিক অনুষ্ঠানের মধ্যেই তাদের গোপন বৈঠকটি করেছেন। বৈঠকে পাঁচটি আসনে বিএনপির সমর্থন নিয়ে প্রার্থীতা নির্ধারন এবং আগামি নির্বাচনের রোডমেপ নিয়ে আলোচনা হয়েছে বৈঠকে উপস্থিত একাধিক ব্যাক্তি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ ব্যাপারে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এড.তৈমুর আলম খন্দকারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বৈঠকটি দলীয় বৈঠক নয়। একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে ছিল। অনুষ্ঠানে রাজনৈতিকদলের অনেজক নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন। আর এ সাক্ষাতে দলীয় কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়নি।
অপর একটি প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সাক্ষাতে বিভিন্ন অভ্যন্তরীন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। রাজনৈতিক কিছু নেতা উপস্থিত থাকলেও নির্বাচন কিংবা দলীয় প্রার্থীতা কোন ধরনের আলোচনা হয়নি।
এ ব্যাপারে মোহাম্মদ আলীর মোবাইল ফোন যার নাম্বার(০১৭১১৫২৯৭২০) তে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

