বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সাংসদ এড. আবুল কালাম বলেন, যারা দেশের মানুষের বাক-স্বাধীনতা হরন করে বাকশাল কায়েম করতে চেয়েছিলো তাদের বিরুদ্ধেই ৭ নভেম্বর সিপাহী জনতার বিপ্লব ঘটে ছিলো । বাকশালের হাত থেকে ক্ষমতা পুনঃ উদ্ধার করে সিপাহী জনতা জিয়াউর রহমানকে রাষ্ট্রপতি বানায়। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুধু বহুদলীয় গনতন্ত্রের প্রবক্তাই ছিলেন না সেই সাথে বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ছিলেন। শুধু তাই নয় বর্তমান সরকারের নেতারা যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেননি। আমজনতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঘোষনার পর যুদ্ধে অংশগ্রহন করে দেশ স্বাধীন করে ছিলেন।
মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ৩ টায় মহানগর বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিঃস্বার্থ ভাবে দেশ স্বাধীন করার পর তিনি তার কর্মে চলে যান। তার জীবনের সকল চাওয়া পাওয়া ছিলো জন-কল্যায়নের জন্য। এ সময় বানিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহম্মেদ এর বক্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, তৎকালীন সময় রক্ষিবাহিনীর প্রধান হয়েও আপনি বলেছেন জিয়াউর রহমানকে আমি চিন্তাম না। অথচ ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে একটি কোম্পানির কমান্ডার হিসেবে খেমকারান সেক্টরে সাহসিকতা প্রদর্শনের জন্য যেসব কোম্পানি সর্বাধিক বীরত্বসূচক পুরস্কার লাভ করেন। ঐ যুদ্ধে বীরত্বের জন্য পাকিস্তান সরকার জিয়াউর রহমানকে হিলাল-ই-জুরাত খেতাবে ভূষিত করে। এছাড়াও ইউনিট এই যুদ্ধে বীরত্বের জন্য দুটি সিতারা-ই-জুরাত এবং নয়টি তামঘা-ই-জুরাত মেডাল লাভ করে। ১৯৬৬ সালে তিনি পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমিতে পেশাদার ইনস্ট্রাক্টর পদে নিয়োগ লাভ করেন। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ পশ্চিম পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী যখন বাঙালীদের ওপর বর্বরের মতো ঘৃণ্য হামলা চালায়। তখন রাজনৈতিক নেতারা আত্মগোপনে চলে যান। সেই সময় এই দিশেহারা বাঙ্গালী জাতিকে আলোর পথ দেখান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল বলেন, জাতিকে হানাদার বাহিনীদের বন্দুকের নলের সামনে রেখে শেখ মুজিবুর রহমান আত্ম-সমর্পন করেছিলো। ঠিক সেই সময় দিশেহারা জাতিকে পথ দেখানোর জন্য স্বাধীনতার ঘোষনা দেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। শুধু তাই নয় তিনি স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়েও ক্ষ্যান্ত হননি রনাঙ্গনে পাকিস্তানী বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন। তিনি যুদ্ধের সময় বহুবার আহত হয়েছিলেন। সে সময় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কাদের সিদ্দিকীর সাথে তার দেখা হয়েছিলো। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর হমানকে দেখে কাদের সিদ্দিকী বলেছিলেন আপনার মত একজন বীরকে দেখে গর্বে আমার বুক ভরে গেছে।
এ সময় তিনি আরও বলেন, যারা স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না তারাই শহীদ রাষ্ট্রপতিকে হত্যা করেছেন। শেখ মুজিবকে হত্যার পিছনেও আওয়ামীলীগ নেতাদের হাত রয়েছে। বর্তমান সরকার যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেন নাই। দেশের আমজনতা ও সিপাহীদের বিপ্লবেই বাক-শালের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে ছিলো। তাদের দোষরাই এখন সরকারে বর্তমান শাসন আমলেই বুঝা যায় বাক-শালের রাজনীতি চলছে। শহীদ জিয়ার আমলেই দেশের মানুষ বহুদলীয় গনতন্ত্র পেয়েছেন।
মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এড. আবু আল ইউসুফ খান টিপুর সঞ্চালনায় এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি হাজী নুরু উদ্দিন, এড. জাকির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সবুর খান সেন্টু, সহ-সম্পাদক আওলাদ হোসেন, কোষাধক্ষ মনিরুজ্জামন মনির, বিএনপি নেতা এড. রিয়াজুল ইসলাম আজাদ, আনোয়ার হোসেন আনু, মহানগর শ্রমিক দলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মনির মল্লিক, সদস্য সচিব আলী আজগর, মহানগর স্বেচ্ছা সেবক দলের নেতা মাকিদ মোস্তাকিম শিপলু।
এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি ফখরুল ইসলাম মজনু, বিএনপি নেতা হাজী তাহের আলী, হারুন শেখ, অহিদুল ইসলাম ছক্কু, ফেরদৌসুর রহমান, শওকত আহম্মেদ লিটন, আরিফ আহম্মেদ গোগা, এড. আনিসুর রহমান মোল্লা, জাহাঙ্গীর মিয়াজী, মাসুদ চৌধুরী, মনিরুজ্জামান, নজরুল ইসলাম, মহানগর যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক সরকার আলম সহ যুবদল নেতা নাজমুল হক রানা, আলী ইমরান শামীম, নাছির হোসেন,মোঃ রোমান, মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক আবুল কাউছার আশা, মহানগর ছাত্রদল নেতা আরাফাত চৌধুরী, মেহেদী হাছান, শফিকুল ইসলাম, আব্দুল হাসিব, শাহীন শরিফ, দর্পন প্রধান, মোক্তাধির হোসাইন হৃদয়, সোহেল, মহানগর শ্রমিক দল নেতা ফজলুল রহমান, নুর মোহাম্মদ, জামাই মনির, সেলিম আহম্মেদ, জেলা সে¦চ্ছা সেবক দলের যুগ্ম-আহবায়ক আকরাম প্রধান, মহানগর স্বেচ্ছা সেবক দল নেতা সাইফুল ইসলাম, দুলাল হোসেন, আব্দুর রশিদ হাওলাদার, সোহেল প্রমূখ।

