বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি’র সিনিয়র সহ সভাপতি এড. সাখাওয়াত হোসেন খান বলেছেন, কু-চক্রিরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যা করতে পারলেও এদেশের লক্ষ কোটি মানুষের মন থেকে জিয়াউর রহমানের আদর্শকে মুছে ফেলতে পারেনি। আর তাই শহীদ জিয়ার আদর্শে ভীত হয়ে সরকার আমাদের আপোষহীন নেত্রী তিনবারের সফল প্রধাণমন্ত্রী গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় কারাগারে আটকে রেখেছে। এই অবৈধ সরকার বিচার বিভাগের কাঁধে বন্দুক রেখে দেশের রাজনীতি নিয়ন্ত্রনের অপচেষ্টা করছে। কিন্তু শহীদ জিয়ার আদর্শের সৈনিকদের আজকের এই দিনে শপথ গ্রহন করতে হবে, দেশে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য কারারুদ্ধ বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে একটি সুষ্ঠ ও অবাধ নির্বাচনী পরিবেশ তৈরীর জন্য সকল আন্দোলন সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। আর দেশনেত্রীকে ছাড়া আমরা এ দেশে কোন নির্বাচন হতে দিব না।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৩৭তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি’র উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিল পূর্ব আলোচনা সভায় প্রধাণ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বুধবার (৩০ মে) শহরের হোসিয়ারী সমিতি কমিউিনিটি সেন্টারে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এড. সাখাওয়াত আরো বলেন, যুদ্ধ বিধ্বস্ত একটি স্বাধীন দেশকে নিজের অপরিসীম মেধা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে যখন গড়ে তুলছিলেন স্বাধীন বাংলার প্রথম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, ঠিক তখনি দেশী বিদেশী মহলের চক্রান্তে হত্যা করা হয় বাংলাদেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রার অগ্রণী নায়ক বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে। ১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্টপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যার মাধ্যমে দেশ থেকে গনতন্ত্রকে মুছে ফেলতে চেয়েছিলো। কিন্তু শহীদ জিয়ার রেখে যাওয়া আদর্শকে বুকে ধারন করে তারই সহধর্মীনী বাংলার আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু এই বাকশালী সরকার নেত্রীকে কারাগারে আবদ্ধ রেখে একটি নীল নক্সার নির্বাচনের পায়তারা করছে। আজকের এই দিনে আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, বেগম খালেদা জিয়াকে ছাড়া এদেশে কোন নির্বাচন হবে না, হতে দেয়া হবে না। আসছে ঈদের পর থেকে নেত্রীকে মুক্ত করার আন্দোলন সংগ্রামে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে অংশগ্রহনের আহবান জানাচ্ছি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খান বলেন, বিএনপি’র নেতাকর্মীদের সামনে এখন একটাই দাবী, আর তা হলো দলীয় চেয়ারপাসৃণ বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি। ঘরে বসে বক্তৃতা দিলে নেত্রীর মুক্তি আসবে না, নেত্রীকে মুক্ত করতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনের মাঠে ঝাঁপিয়ে পরতে হবে। যুগে যুগে বহু অপশক্তি চেষ্টা করেছে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ভাঙ্গতে, কিন্তু পারেনি আমাদের সকলের এক্যের কারনে। আমাদের সেই ঐক্য অব্যহত রাখতে পারলে ভবিষ্যতেও তা ভাঙ্গা যাবে না।
১২নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি বরকতউল্লাহ বরকতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, মহানগর জাসাস নেতা স্বপন চৌধুরী, মহানগর বিএনপি নেতা মনির হোসেন খান, মোস্তাকুর রহমান, ইসমাইল মাষ্টার, তরিকুল ইসলাম বুলবুল, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি নজরুল ইসলাম, জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এড. খোরশেদ আলম মোল্লা, জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ সভাপতি সালাউদ্দিন মোল্লা, বন্দর থানা যুবদলের সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান দুলাল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক এড. এইচএম আনোয়ার প্রধান, আইনজীবী নেতা রাজিব মন্ডল, জেলা তারেক জিয়া পরিষেদের আহবায়ক মো: শাহীন আহমেদ, জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক সাখাওয়াত ইসলাম রানা, মহানগর ছাত্রদল নেতা আল আমিন প্রধান, ইব্রাহীম বাবু, বন্দর তারেক জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নবু হোসেন প্রমূখ।

