বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
গত জুন মাসে জেলার বিভিন্ন থানার পুলিশ কর্মকর্তাদের চেয়ে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, সন্ত্রাসী গ্রেফতারে সফলতা, আইনশৃংখলা নিয়ন্ত্রনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় ফতুল্লা মডেল থানার এস আই মিজানুর রহমান-২ এবং এএসআই কামরুল হাসান পূর্বের ন্যায় আবারো জেলার শ্রেষ্ট্র পুলিশ সদস্যের পুরষ্কার পেয়েছেন। সোমবার নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের আয়োজিত মানিক কল্যান সভায় জেলা পুলিশে কর্মরত একাধিক অফিসারকে টপকিয়ে শ্রেষ্টত্ব অর্জনকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের পুলিশ সুপার মঈনুল হকের কাছ থেকে পুরষ্কার গ্রহন করেন।
এ ব্যাপারে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি কামাল উদ্দিন বলেন, ফতুল্লা মডেল থানার এস আই মিজানুর রহমান-২ এবং এএসআই কামরুল হাসান ভাল অফিসার। ফতুল্লার আইনশৃংখলা নিয়ন্ত্রনসহ জীবনের ঝুঁিক নিয়ে তালিকাভূক্ত সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার, মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, মানব পাচারকারী গ্রেপ্তার, দাঙ্গা হাঙ্গামা রোধে কাজ করে যাচ্ছেন। আর তাদের সফলতায় আমিও গর্বিত। এছাড়াও ভাল কাজের ফলাফল হিসেবে জেলা পুলিশ সুপার স্যারের পুরষ্কার দেয়ার বিষয়টি পুলিশ কর্মকর্তাদের কাজের গতিবিধি বড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
পুলিশ সূত্রেজানাযায়, নারায়ণগঞ্জ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার মো. মঈনুল হক পিপিএম নারায়ণগঞ্জ যোগদানের পর আইন শৃঙ্খলা পরিবেশসহ সর্ববিষয় পেক্ষাপট পরির্বতন আনতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি নিজের থেকে প্রতি মাসে পুলিশের কাজের গতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে উৎসাহ প্রদানের জন্য কাজের সফলতার ক্রেষ্ট দিয়ে অফিসারদের উৎসাহ প্রদান করে আসছেন। আর এই উৎসাহের দাবীদার জেলার মধ্যে ফতুল্লা থানা পুলিশ সবার শীর্ষে আছেন। গত জানুয়ারী, ফেব্রুয়ারী, মার্চ এপ্রিল, মে মাসসহ কয়েকবার জেলার সাত থানা ও ডিবি’র মধ্যে ফতুল্লা মডেল থানার ওসিসহ দারোগারা পালাক্রমে শ্রেষ্ঠ অফিসারের পুরস্কার নিয়ে আসছে। কিন্ত গত জুন মাসের কাজে শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসেবে এসআই মিজানুর রহমান-২ এএসআই কামরুল হাসান পুরস্কার পেয়েছেন। তারা ওয়ারেন্ট তামিল ও মাদক উদ্ধারে সফলতা জেলার সবার শীর্ষে ছিলেন। এস আই মিজানুর রহমান-২ ও এএসআই কামরুল হাসান এর বদলী অর্ডার হলেও তারা তাদের দায়িত্ব থেকে একটু বিচ্যুতি হননি। তবে তাদের বদলীর সংবাদে ফতুল্লার মাদক ব্যবসায়ী ও অপরাধীদের মনে আনন্দের জোয়ার বইছে। এক বারে দুই অফিসার বদলী হলে থানার কাজের গতি কমে যাবেন বলে, মনে করেন ফতুল্লার সচেতন মহল।

