বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
গৌরব, ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের প্রাণের সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের থেকে বিদায় নেওয়ার এক বছর পূর্ণ হলো আজ। তবুও নিজেকে এখনো ছাত্রলীগের একজন ভাবতেই বেশী ভালো লাগে। সুদীর্ঘ ৭ টি বছর (দুই মেয়াদে) নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করেছি অনেক কিছুই করার ছিলো, আবার নানা কারনে অনেক কিছু করতেও পারিনি।
জেলা ছাত্রলীগের কমিটি থেকে বিদায় একবছর পূর্ন উপলক্ষে নিজের ফেসবুক আইডি থেকে এমন্তই করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শেখ সাফায়েত আলম সানি
তবুও ব্যর্থতার সকল দায়ভার আমার উপর নিচ্ছি। তবে ১০০% ভাগ চেষ্টা করেছি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য আমার বাবা মায়ের মাধ্যমে পরিবার থেকে যে মূল্যবোধের শিক্ষা পেয়েছি তা কাজে লাগিয়ে এবং আমার রাজনৈতিক শিক্ষাগুরু মুজিব আদর্শের আলোক বিচ্ছুরনের বাতিঘর জননেতা এ,কে,এম শামীম ওসমান ভাইয়ের নেতৃত্ত্বে সততা ও ন্যায়পরায়ণতার মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করতে। কতটুকু পেরেছি তা বিশ্লেষণ করার জন্যতো রয়েছে আমার রাজনৈতিক সহযোদ্ধা, সাংবাদিক ভাইয়েরা এবং যাদের জন্য আমাদের এই পথচলা সাধারন ছাত্র ছাত্রী ভাই বোনেরা।
যতটুকু কাজ করেছি তার চেয়ে অর্জনের পাল্লাটাই বেশী। যে অকৃত্তিম ভালবাসা আমি পেয়েছি, সে তুলনায় কিছু করতে পারিনি তাদের জন্য। সেই অজস্র ভালবাসা থেকে তিনটি ঘটনা আজ তুলে ধরছি।
১/ সম্ভবতো ২০১৩ সালে, একজন সনাম ধন্য মসজিদের (ফকির টোলা মসজিদের) ইমাম সাহেব ফোন দিয়ে বলল যে, তার ছেলেকে আমার সাথে ছাত্রলীগ করতে দিবে তার ছেলের নামও সানি। যে সময়ে রাজনীতি করা বাবা মায়েরা তার ছেলেকে রাজনীতি করতে দেয় না, সে সময়ে একজন ইমাম তার ছেলেকে আমার সাথে ছাত্রলীগ করতে দিতে চায়, এটা আমার জন্য অনরক গৌরবের।
২/ ছাত্রলীগের এক সহযোদ্ধা হঠাৎ এসে আমার হাতে কিছু টাকা দিলো। দিয়ে বলল এটা আমার চাকরীর প্রথম উপার্জনের টাকা। বাবা মা’কে দেওয়ার পরে বাকিটা আপনার জন্য রেখেছি। আমি সেই টাকাটা ফিরিয়ে দেই নাই রেখে দিয়েছি। তার চোখে মুখে আমার প্রতি তার নিখাদ ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা আমি দেখেছি যার প্রতিদান আমি কখনোই দিতে পারবো না।
৩/ আমার আরেক সহযোদ্ধার মা আমাকে ফোন দিয়ে বলল বাবা আমার ছেলেটা খুব অসুস্থ ( লিভারে সমস্যা) ডাক্তার বলছে আরো তিন মাস বেড রেস্ট নিতে কিন্তু ওকে কিছুতেই বোঝানো যাচ্ছে না। বারবার বের হতে চায়, তোমাকে খুব পছন্দ করে তোমার কথা শুনবে তুমি একটু বুঝিয়ে বলো বাবা। নেও তোমার সাথে কথা বলবে, ফোনটা ধরে কান্না করতে করতে বলে ভাইয়া আমি প্রোগ্রাম গুলোতে আসতে পারতাছি না, আমার জন্য দোয়া করবেন যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে যোগ দিতে পারি। ছাত্রলীগের প্রতি এবং আমার প্রতি তার প্রেম দেখে বিস্ময় প্রকাশ করা ছাড়া কিছুই করার ছিলো না আমার।
অজস্র ভালবাসা থেকে তিনটি গল্প আপনাদের সাথে আজ প্রকাশ করলাম। ভালো থাকুক প্রাণের সংগঠন নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগ, ভালো থাকুক ভালবাসার সকল সহযোদ্ধারা, জাগ্রত হোক সবার ভিতরে মুজিববাদের মানবতা।
পুনশ্চঃ আমি ছাত্রলীগের সবাইকে সহকর্মী না লিখে সহযোদ্ধা সম্বোধন করি, কারণ ১৯৫২ সাল থেকে আজ-অবদি প্রকৃত ছাত্রলীগের ছেলেরা দেশের জন্য যুদ্ধই করে যাচ্ছে – হোক সেটা মাতৃভাষা,স্বাধীনতা, স্বাধীনতা রক্ষা কিংবা মূল্যবোধ তৈরির ক্ষেত্রে।
যতটুকু কাজ করেছি তার চেয়ে অর্জনের পাল্লাটাই বেশী। যে অকৃত্তিম ভালবাসা আমি পেয়েছি, সে তুলনায় কিছু করতে পারিনি তাদের জন্য। সেই অজস্র ভালবাসা থেকে তিনটি ঘটনা আজ তুলে ধরছি।
১/ সম্ভবতো ২০১৩ সালে, একজন সনাম ধন্য মসজিদের (ফকির টোলা মসজিদের) ইমাম সাহেব ফোন দিয়ে বলল যে, তার ছেলেকে আমার সাথে ছাত্রলীগ করতে দিবে তার ছেলের নামও সানি। যে সময়ে রাজনীতি করা বাবা মায়েরা তার ছেলেকে রাজনীতি করতে দেয় না, সে সময়ে একজন ইমাম তার ছেলেকে আমার সাথে ছাত্রলীগ করতে দিতে চায়, এটা আমার জন্য অনরক গৌরবের।
২/ ছাত্রলীগের এক সহযোদ্ধা হঠাৎ এসে আমার হাতে কিছু টাকা দিলো। দিয়ে বলল এটা আমার চাকরীর প্রথম উপার্জনের টাকা। বাবা মা’কে দেওয়ার পরে বাকিটা আপনার জন্য রেখেছি। আমি সেই টাকাটা ফিরিয়ে দেই নাই রেখে দিয়েছি। তার চোখে মুখে আমার প্রতি তার নিখাদ ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা আমি দেখেছি যার প্রতিদান আমি কখনোই দিতে পারবো না।
৩/ আমার আরেক সহযোদ্ধার মা আমাকে ফোন দিয়ে বলল বাবা আমার ছেলেটা খুব অসুস্থ ( লিভারে সমস্যা) ডাক্তার বলছে আরো তিন মাস বেড রেস্ট নিতে কিন্তু ওকে কিছুতেই বোঝানো যাচ্ছে না। বারবার বের হতে চায়, তোমাকে খুব পছন্দ করে তোমার কথা শুনবে তুমি একটু বুঝিয়ে বলো বাবা। নেও তোমার সাথে কথা বলবে, ফোনটা ধরে কান্না করতে করতে বলে ভাইয়া আমি প্রোগ্রাম গুলোতে আসতে পারতাছি না, আমার জন্য দোয়া করবেন যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে যোগ দিতে পারি। ছাত্রলীগের প্রতি এবং আমার প্রতি তার প্রেম দেখে বিস্ময় প্রকাশ করা ছাড়া কিছুই করার ছিলো না আমার।
অজস্র ভালবাসা থেকে তিনটি গল্প আপনাদের সাথে আজ প্রকাশ করলাম। ভালো থাকুক প্রাণের সংগঠন নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগ, ভালো থাকুক ভালবাসার সকল সহযোদ্ধারা, জাগ্রত হোক সবার ভিতরে মুজিববাদের মানবতা।
পুনশ্চঃ আমি ছাত্রলীগের সবাইকে সহকর্মী না লিখে সহযোদ্ধা সম্বোধন করি, কারণ ১৯৫২ সাল থেকে আজ-অবদি প্রকৃত ছাত্রলীগের ছেলেরা দেশের জন্য যুদ্ধই করে যাচ্ছে – হোক সেটা মাতৃভাষা,স্বাধীনতা, স্বাধীনতা রক্ষা কিংবা মূল্যবোধ তৈরির ক্ষেত্রে।
