বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
‘এক নেতার এক পদ’ এই নীতি অনুসরন করে নতুন কমিটিতে স্থান পাওয়া খালেদা জিয়ার উপদেষ্টারা নিজ এলাকার পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে পদত্যাগ পত্র জমা দিলেও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতির পদ আঁকড়ে ধরে আছেন এড. তৈমূর আলম খন্দকার। কোন কিছুতেই পদ ছাড়তে নারাজ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বনে যাওয়া ৬৩ নাম্বার উপদেষ্টা এই এড. তৈমূর। ইতিমধ্যেই এড. তৈমূর নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতির পদে আর থাকতে পারছেনা এমন সংবাদে তৃনমূল নেতাকর্মীদের মাঝে স্বস্তিবোধ করতে দেখা যায়। জেলা বিএনপিতে এখন নতুন নেতৃত্ব চায় এমনটাই বলে জানান দলের নেতাকর্মীরা। তারপরেও পদ ছাড়তে চাচ্ছেন না বিএনপির এই নেতা।
এদিকে বিএনপির ষষ্ঠ কাউন্সিলে ‘এক নেতার এক পদ’ এই নীতি গৃহিত হয়েছিল। আর এই নীতিনুসারে ঢাকা জেলার বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান এবং টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে এড. আহামদ আজম খান অব্যাহতি চেয়ে বুধবার বিএনপি’র চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে দলের প্রধান বরাবর পদত্যাগ পত্র জমা দেন। এছাড়া একই নীতি মেনে এর আগে বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান তাদের অন্য পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন। আর তারই প্রেক্ষিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সভাপতির পদটি এড.তৈমূর আলম খন্দকারের ছাড়া উচিত বলে দাবি করেন তৃনমূল।
দলীয় একটি সূত্রে জানা যায়, এভাবে একে একে যেই সব নেতাদের একই সঙ্গে যাদের দুই পদ আছে তাদের সবাইকে নিজ এলাকার পদ ছেড়ে দিতে হবে। পদ না ছাড়লে দলীয়ভাবে নেওয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা।
বিএনপির ষষ্ঠ কাউন্সিলের নতুন কমিটিতে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে পদ পান এড. তৈমূর আলম খন্দকার। আর এই পদ থেকে যদি নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতির পদ আঁকড়ে ধরার লোভে এড. তৈমূর পদত্যাগ করেন তাহলে বিএনপির চেয়ারপারসনকে অসস্মান করা হবে ধারণা করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।
