বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (২ জানুয়ারী) দুপুরে উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের উজানগোপিন্দি ও ছোট বিনাইরচর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এসময় পুলিশ, সাংবাদিকসহ উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে।
বিষয়টি নিচ্তি করেন আড়াইহাজার থানার ওসি(তদম্ত) সাইফুল ইসলাম।
আহতদের উদ্ধার করে আড়াইহাজার উপজেলা হাসপাতাল সহ বিভিন্ন হাহসাপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়। এ ঘটনায় এ সময় উপজেলার ভুলতা বিশনন্দী সড়কে এক ঘন্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল।
৮ রাউন্ড গুলি নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে পুলিশ।
ঘটনা সূত্রে স্থানীয়রা জানায়, ৩১ ডিসেম্ব শনিবার স্থানীয় এক ওয়াজ মাহফিলে ছোট বিনাইরচর গ্রামের এক প্রতিবন্ধী ছেলেকে উজানপুর গ্রামের লোকজন মারধর করে। এ ঘটনায় গত কয়েকদিন যাবৎ দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে কয়েক দফা মহড়া ও হুমকি ধমকীর ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় উজানগোপিন্দী গ্রামের লোকজন ছোট বিনাইরচর গ্রামের লোকজনের উপর হামলা চালায়।
এদিকে আজ সোমবার দুপুরে ছোট বিনাইরচর গ্রামের মিথুন কাজী নামে একজন স্মার্ট কার্ড আনার জন্য উজানগোপিন্দী উচ্চ বিদ্যালয়ে যায়। মিথুন সেখানে গেলে তাকে উজানগোপীন্দী গ্রামের লোকজন মারধর করে। মারধরের কারনে দুই গ্রামবাসী আবার সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে। এসময় খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের উপর সংঘর্ষকারীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং তাদের গাড়ি ভাংচুর করে। যার কারনে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে ৮ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় আড়াইহাজার থানার ওসি হাওলাদার, ওসি (তদন্ত), উপপরিদর্শক আরিফ ও সাংবাদিক সহ অনন্ত ২০ জন। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ব্যাপারে আড়াইহাজার থানার ওসি (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম জানান, তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশের প্রায় ১৫ জন সদস্য আহত হয়। এ ঘটনায় ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়ন পরিষদের ১ নং ওয়ার্ড সদস্য রহিম মেম্বার ও রিপনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনার ব্যাপারে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

