নারায়ণগঞ্জ,বিজয় বার্তা ২৪
অবশেষে ৬জনকে অভিযুক্ত করে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার কাশীপুরে আলোচিত সোয়েব হত্যা মামলার দুই বছর পরে অভিযোগপত্র (চার্জশীট) দিয়েছে পুলিশ। ফলে এ মামলাটির বিচারের প্রক্রিয়া শুরু হল। গত ২১ মার্চ সোয়েব হত্যার দুই বছর পূর্ণ হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সুমন কুমার আইচ জানান, নৈশপ্রহরী শুক্কুর আলীর দেয়া ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি ও অন্যান্য সাক্ষ্যপ্রমাণে শাহীন, সানী, দুই সহোদর মিঠু ও টিটু আরাফাত ইসলাম রাব্বি, আবেদ নূর হৃদয়কে এই হত্যাকা-ের ঘটনায় অভিযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে নিহতের পিতাসহ ১০জনকে সাক্ষী হিসেবে রাখা হয়েছে।
২০১৪ সালের ২১ মার্চ কাশীপুর খিলমার্কেট হোসাইনীনগর এনেটি আবাসিক প্রকল্পের জলাশয় থেকে ব্যবসায়ী যুবক সোয়েবের (২২) লাশ উদ্ধার করা হয়। প্রথমে তাকে অজ্ঞাত লাশ দেখিয়ে এসআই আবুল বাশার একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরদিন সকালে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে লাশটি নিজের ছেলে বলে সনাক্ত করেন সোয়েবের বাবা মনির হোসেন। পুলিশ ওইদিন দুপুরে জানাজার আগেই এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত অভিযোগে দুই সহোদর টিটু, মিঠু, হৃদয় ও রাব্বী নামের নামের ৪ যুবককে গ্রেপ্তার করে। এরা প্রত্যেকেই ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করে।
এরপর রাতে সোয়েবের বাবা মনির হোসেন বাদী হয়ে গ্রেপ্তার হওয়া ৪ জনসহ ৬জনের নাম উল্লেখ করে আরো কয়েকজনকে অজ্ঞাত করে ওই মামলায় একটি সম্পুরক এজাহার দাখিল করেন।
২০১৪ সালের ২৪ মার্চ এ মামলায় এনেটি আবাসিক প্রকল্পের নৈশপ্রহরী শুক্কুর আলী আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। জবানবন্দিতে শুক্কুর আলী ওই ৬জনসহ আরো কয়েকজনকে রাতে বস্তায় লাশ ভরে পুকুরের পানিতে ফেলতে দেখেছে এবং এই ঘটনা প্রকাশ না করার জন্য তাদের দেয়া হুমকির কথা স্বীকার করে।
এ মামলাটি এসআই খাইরুল ইসলাম, এসআই মুসলিম আলী শেখ তদন্ত করছেন। সর্বশেষ মামলাটি তদন্ত করেন এসআই সুমন কুমার আইচ।