বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
বন্দরের ফটো সাংবাদিক আমিরের বিরুদ্ধে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে ৬ ভূমির মালিক শনিবার সকাল ১১ টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে নিরীহ ৬ ভূমির মালিক অভিযোগ করে বলেন, সারা জীবনের জমানো অর্থ দিয়ে আমরা নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মদনগঞ্জ সামিট পাওয়ার লিমিটেড সংলগ্ন পিএম রোডে একটি রেকডিও সম্পত্তি ক্রয়সূত্রে মালিক হয়ে ভোগ দখল করে আসছি কিন্তু ওই এলাকার কথিত মূর্খ ফটো সাংবাদিক আমির হোসেন ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছে। তাদের দাবিকৃত চাঁদা দিতে অপরাগত প্রকাশ করলে আমাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মাধ্যমে ভূমিদস্যু আখ্যা দিয়ে বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ পরিবেশন করে আসছে। এতে কওে আমাদের সামাজিক মান-মর্যাদা দারুনভাবে ক্ষুন্ন হয়েছে।
সাংবাদিকদের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন সাংবাদিকতা একটি মহৎ এবং সম্মানজনক পেশা। একজন অশিক্ষিত ব্যাক্তি কিভাবে এই পেশায় যুক্ত হয়। তিনি অশিক্ষিত তার উপরে আবার এই পেশায় পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন সময়ে জবর-দকল এবং নিরীহ লোকজনকে ভয়-বিিত দেখিয়ে টাকায়-পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতিনিয়তই। ছোট বেলায় জেনেছি একজন অশিক্ষিত লোক নাকি অন্ধের সমান। কিন্তু এই অশিক্ষিত আমির হোসেন তার কর্মকান্ডে প্রমান করেছে তিনি মূর্খ সংবাদকর্মী।
বিগত নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থী হয়ে ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকা খরচ করে নির্বাচন করে কিভাবে। একজন বেকার এবং সামান্য সংবাদকর্মী হয়ে এত টাকা ব্যয় করার উৎস কোথায় ? তার ভাই-ভাবী ও ভাতিজারা অনেকেই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছে। ভূমিদসূতা এবং ব্ল্যাকমেইলারের অপকর্ম এখানেই শেষ নয়।
বিগত ২০১০ সালে সে তারই বাড়ির পাশ^বর্তী জনৈক আমানউদ্দিন নামে এক ব্যাক্তির জায়গা জোরপূর্বক ভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীসহ তা দখলের অপচেষ্ঠা চালায়। দীর্ঘ দিন মামলা লড়ার পর আদালতে আমানউদ্দিন আহম্মেদের পক্ষে রায় দিলে মূর্খ আমির হোসেন তার বিরুদ্ধে এবং আমাকে ফাসাতে নানা ছক তৈরি করে। নিজের শরীর নিজে পুচিয়ে আমানউদ্দিন ও তার ছেলেসহ পরিবারের লোকজনকে হয়রানী করে। এমনকি নিজের ঘর আগুনে পুড়িয়ের তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা দায়ের করে। সে মামলা থেকে আমানউদ্দিন গং খালাস হয়। বর্তমানে সেই আমিরের কু-নজর পড়েছে আমাদেও নিরীহ ৬ মালিকের সম্পত্তির উপর।
তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের কাছে ১০ লাখ চাঁদা না পেয়ে আমানউদ্দিন আহম্মেদ এর মত আমাদের বিরুদ্ধে শুরু হয়েছে একের পর এক ষড়যন্ত। ১০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে সে আমাদেও মদনগঞ্জ ম খন্ডে ক্রয়কৃত (জএল নং সাবেক ২৫১৬০ নং আর এস মৌজাস্থিত ৬৬২নং আর এস ১৭৫৮,১৭৫৯,১৭৪৯,১৭৪৭,১৭৪৮,১৭৩৭,১৬০৬ ও ১৬০২ নং দাগের খতিয়ানভূক্ত ৭শ’ ৬০.৯৬ শতাংশ সম্পত্তিতে তার দলবল নিয়ে সেখানে একাধিক ব্যানার সাঁটিয়ে দেয়।
তারা আরো জানান, আমরা ৬ নিরীহ ভূমির মালিক বন্দর প্রেস ক্লাবের নির্বাচিত সভাপতি কমল খানের কাছে বিচার চাইতে গেলে তিনি বলে ঈদের পরে এ ব্যাপারটা দেখবো । যে দিন বিচার চাইলাম সে দিনই আমির হোসেন তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে পূনরায় ৪ টি ব্যানার সাঁটিয়ে দেয় এবং বন্দর প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক বলে দাবি করে। আমাদের সম্পত্তির গাছ-পালা কেটে আমাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করে। অভিযোগে পিএম রোডের ওই সম্পত্তি শান্তিনগর এবং ভূমিহীনদেও খাস সম্পত্তি উল্লেখ কওে আমাদেও বিরুদ্ধে বিভিন্ন জনের কাছে মিথ্যা অভিযোগ উথাপন করে।
এদিকে গত ২৫ জুন নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন ৬ নিরীহ ভূমির মালিক। অভিযোগে উল্লেখ করে গত ১৯ জুন জালাল সরদারের ছেলে আমির গং আমাদের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। চাঁদা না দেয়াতে সাইনবোর্ড রাতের আধারে উপরে ফেলে ভূমিহীনদের নাম ভাঙ্গিয়ে তাদের ব্যানার লাগায়। নিরাপত্তাকর্মীদের মারধর হুমকি প্রদান করে, আমাদের চাঁদা প্রদান না করে জায়গায় প্রবেশ করলে জানে মেরে ফেলবো।
আমাদের সম্পত্তি এবং চাঁদাবাজ কখিত ফটো সাংবাদিক আমিরের হাত থেকে রক্ষা করতে জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

