বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
ভূমিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মানে কাজ করছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা । দেশকে এগিয়ে নিতে আমরা প্রধানমন্ত্রীকে স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনা উপহার দিতে চাই। ডিজিটাল ভূমি জরিপের ক্ষেত্রে কেউ অধিকার বঞ্চিত হলে আমরা দেখবো।
আগামী জুলাই মাস থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন ও নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা এলাকায় শুরু হচ্ছে ডিজিটাল ভূমি জরিপ। এ উপলক্ষে আজ বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে ডিজিটাল ভূমি জরিপ ও ভূমি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সেমিনারের আয়োজন করে ভূমি মন্রণালয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমি মন্ত্রী বলেন, মহান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু তার মাধ্যমে এ দেশ পেয়েছি, আমরা এই ভূমি পেয়েছি। মানুষের অধিকার আদায়ের ক্ষেত্রে তার যথেষ্ট আবেগ ছিল। কৃষক সহ সকলের জন্য এক খন্দ জমি তাদের কাছে মূল্যবান। তিনি স্বল্প সময়ে তার স্বপ্ন পূরন করে যেতে পারেননি। তার সুযোগ্য কন্য আমাদের জননেত্রী শেখ হাসিনা বাবার স্বপ্ন পূরনে এগিয়ে যাচ্ছে। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে তিনি দেশকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে নিয়ে আসছেন।
তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে চান। চতুর্থ শিল্প বিপ্লব যেটা সারা বিশ্বে ঘটতে যাচ্ছে এটার সাথে সামঞ্জস রেখে আমরা এগিয়ে যেতে চাই। এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে একটি ডিজিটাল এবং একটি স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনা একান্তভাবে অপরিহার্য।
সেই লক্ষ্যে আমাদের কাজ শুরু হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, কোথায় যদি দেখেন কেউ স্বার্থ সংশ্লিষ্টতার কারনে আপনাদের ভূমি বঞ্চিত করছে। সেক্ষেত্রে আপনারা অভিযোগ করবেন। আমরা সেগুলো তদন্ত করবো এবং স্থানীয় জেলা প্রশাসক এটার সমাধান দিতে পারবেন। আমি আশা করবো এটা সেই পর্যায়ে সমাধান হবে। তারপরো সর্বোপরি আমরাও থাকবো।
তিনি আরো বলেন, আমরা চাই একটি ফ্রেশ ও সুন্দর ভূৃমি ব্যবস্থাপনা নিয়ে আসতে। আমরা চেষ্টা করছি মন্ত্রনালয় থেকে শুরু করে ডিসি এবং ভূমি পর্যন্ত যাওয়ার। ভূৃমির ক্ষেত্রে সকল কর্মকর্তাদের মাঝে আজকে আমার বার্তাটাও থাকবে তাদের সিনসিয়ার এবং সৎ হয়ে চলতে হবে। এখানে যদি কোন ত্রুটি ঘটে এবং প্রমানিত হয় সেখানে কিন্তু কঠিন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো। সেক্ষেত্রে আমরা ছাড় দিবো না।
তিনি আরো বলেন, আমি বলছি না আমাদের কোথায়ও কোন ত্রুটি নেই। ত্রুটি আমাদের সরকারী কর্মকর্তাদের ভিতর রয়েছে আবার জমির মালিকদের রয়েছে। অবৈধ সুষোগ নেওয়ার জন্য পয়সা দিতে থাকে। আমি চেয়ারে বসে দেখেছি কেউ চাকরীর জন্য বলে স্যার যা লাগে টাকা পযসা দিবো নে। চাকরীর আগে বলে টাকা দিবো নে। পাবলিকেরও কিন্তু সিনসিয়ার হতে হবে। কেন টাকা দিয়ে আমি চাকরী নিবো। কেন টাকা দিয়ে আমি রেকর্ড করবো। রেকর্ড আমার বৈধ যতটুকু সেটুকু আমার অধিকার। সেই অধিকার বঞ্চিত হলে আমরা দেখবো আমরা কথা দিচ্ছি।
এসময় ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আনিস মাহমুদ, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহমুদুল হক এবং প্রকল্প পরিচালক জহিরুল হক বক্তব্য রাখেন ।

