বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের সময় নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে গুলিতে নিহত রিকশা চালক তুহিন হত্যা মামলায় সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভীর বিরুদ্ধে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। আদালত উভয় পক্ষের শুনানী শেষে ৭ জুলাই পরবর্তী শুনানীর দিন ধার্য করে। সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মাঈনুদ্দিন কাদেরের আদালত এই আদেশ দেন। এসময় আইভীকে কাশিমপুর কারাগার থেকে ভিজুয়ালী যুক্ত করা হয়।
শুনানীর সময় আইভীর আইনজীবিরা আদালতে জানান গত ২৩ মে উচ্চ আদালতে (হাইকোর্ট) জামিনের জন্য আবেদন করা হয়েছে। এসময় বিচারক জানান উচ্চ আদালতে জামিন আবেদন বিবেচনায় থাকায় বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত রিামান্ড মঞ্জুর করা যাবে না।
মামলা সূত্রে জানা যায়, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ২০ জুলাই ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল এলাকায় মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয় রিকশা চালক তুহিন (৩৬)। এঘটনায় নিহতের স্ত্রী আলেয়া আক্তার মীম বাদী হয়ে গত বছর ১৩ সেপ্টেম্বর ৯৯ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় আইভী ১১ নাম্বার আসামী।
আইভীর আইনজীবি এড. আওলাদ হোসেন জানান, রিকশা চালক তুহিন হত্যা মামলায় আইভী ১১ নাম্বার আসামী। মামলার এজহারে হত্যাকান্ডের সাথে তার কোন সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ নাই। আমরা তার জামীনের জন্য উচ্চ আদালতে (হাইকোর্টে) আবেদন করেছি। সেটি বিবেচনায় বিচারক রিমান্ড শুনানী আগামী ৭ জুলাই ধার্য করেছে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি ওমর ফারুক নয়ন বলেন, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে শামীম ওসমান ও আইভীর নিদের্শে সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইলে হামলা চালানো হয়। এসময় গুলিতে রিকশা চালক তুহিন মারা যায়। এই মামলায় পুলিশ আইভীর সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। বিবাদীর আইনজীবিরা এর আগে উচ্চ আদালতে জামিন আবেদন করায় আদালত পরবর্তী শুনানী আগামী ৭ জুলাই ধার্য করেছে।

