খেলাধূলাডেস্ক,বিজয় বার্তা ২৪

Photo by Deepak Malik / IPL/ SPORTZPICS
টস জিতে তার ব্যাটিংয়ে নামার সিদ্ধান্তটি যে ভুল ছিল না, প্রথম ইনিংস শেষে তা ভালোভাবেই প্রমাণ হয়েছে। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার নিজে অসাধারণ একটি ইনিংস খেলেছেন। সেই সঙ্গে দলকেও রানের পাহাড় গড়ে দিতে রেখেছেন মূল্যবাদ অবদান।
বেঙ্গালুরুতে স্বাগতিক দলটির বিপক্ষে ম্যাচে ওয়ার্নারের ৩৮ বলে ৬৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংসটির ওপর ভর করে হায়দরাবাদ গড়েছে ২০৮ রানের বিশাল সংগ্রহ।
এদিন অবশ্য ব্যাঙ্গালোরের বোলাররা খুব একটা বিপাকে ফেলতে পারেননি হায়দরাবাদ ব্যাটসম্যানদের। বরং মুস্তাফিজের দলের ব্যাটসম্যানরা অনেক বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন। প্রতিপক্ষ বোলাররা তাদের সামনে এক রকম অসহায় ছিলেন।
ওয়ার্নার ও ধাওয়ানের পর আরো বেশি আত্মবিশ্বাসী ছিলেন যুবরাজ সিং। চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে তিনি ২২ বলে ৩৮ রানের একটি অসাধারণ ইনিংস খেলেছেন। ইনিংসটিকে তিনি সাজিয়েছেন চারটি চার ও দুটি ছক্কার মার দিয়ে।
বেন কাটিং শেষ দিকে এসে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১৫ বলে ৩৯ রানের একটি অসাধারণ ইনিংস খেলেন। একটি বল তো মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি। আসরের সবচেয়ে বড় ছক্কা এটি, ১১৭ মিটার।
তবে এর চেয়ে আলোচিত বিষয় ছিল সব সংশয় এবং হতাশাকে দূরে ঠেলে শেষ পর্যন্ত মাঠে নামছেন হালের বোলিং বিস্ময়। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিপক্ষে সানরাজার্স হায়দরাবাদে প্রথম একাদশে রাখা হয়েছে তাঁকে। ব্যাট করার সুযোগ পাননি তিনি, তবে বোলিংয়ে কেমন করেন সেটাই এখন দেখার বিষয়।
আইপিএলে এর আগে টানা ১৫ ম্যাচে খেলেছেন হালের বোলিং বিস্ময় মুস্তাফিজুর রহমান। ১৬ উইকেট নিয়ে শীর্ষ দশ বোলারের তালিকায় ছয় নম্বরে আছেন মুস্তাফিজ। শুধু তাই নয়, আইপিএলের সর্বোচ্চ ১০ ম্যাচ খেলা বোলারদের মধ্যে তাঁর ইকোনমি সবচেয়ে কম, ৬.৭৩।