বন্দরে লম্পট ইমামকে পূর্নবহালের ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে স্থানীয় দালাল চক্র

0
শেয়ার করুনShare on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Pin on Pinterest0Print this pageEmail this to someoneShare on Tumblr0

বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম

বন্দরে স্কুলছাত্র বলাৎকারের নায়ক লম্পট ইমাম আব্দুল মালেক জিহাদীকে পূর্নবহালের পাঁয়তারা চালাচ্ছে স্থানীয় দালাল চক্র। এ সংবাদ প্রকাশে এলাকায় তোলপাড়। সম্প্রতি কুকর্মের দায়ে দীর্ঘ দিন পালিয়ে বেড়ালেও দালালদের ভরসায় লম্পট ইমাম বালুচর তমুদরদী জামে মসজিদের দায়িত্ব গ্রহণের স্বপ্নে বিভোর হয়ে আছে। এদিকে লম্পট ইমামকে পূর্নবহালের পাঁয়তারা করায় স্থানীয় কথিত সমাজকর্মী গিয়াসউদ্দিন,আক্তার হোসেন,গোলে মাওলার বিরুদ্ধে ফুঁসতে শুরু করছে এলাকাবাসী। এদিকে সংবাদ প্রকাশের পর বালুচর তমুদরদী এলাকার আক্তার হোসেন নামের এক ব্যাক্তি অনুমানিক রাত সোয়া ১০ টায় ০১৮১৩৬৬৪২৪৬ এই নাম্বার থেকে ফোন করে তুমি কাজটা ঠিক করলেনা এবং তোমাকে আমি দেখে নিমু ? কত বড় সাংবাদিক হয়েছ..!

প্রকাশ থাকে যে, নারায়ণগঞ্জ বন্দর থানাধীন বালুচর তমুদরদী জামে মসজিদের ইমাম আব্দুল মালেক জিহাদী বিগত দেড়মাস পূর্বে ইসলামিক নাত শিখানোর নাম করে পঞ্চদর্শী এক কিশোরকে শয়নকক্ষে নিয়ে জোরপূর্বক বলাৎকার করে। এ ঘটনায় এলাকাবাসী লম্পট ইমামকে আটক করলেও রহস্যজনক কারণে স্থানীয় প্রভাবশালীরা তাকে ছেড়ে দেয়। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার করছে। বলাৎকারের শিকার হওয়া কিশোর বিএম ইউনিয়নের ৯ম শ্রেণীর ছাত্র।

এ ব্যাপারে বন্দর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বার মিজানুর রহমানের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান,ইমাম কে নিয়ে একটি ঘটনা ঘটে গেছে। এলাকায় এখন তাকে কোন হিসেবে আনতে চায় আমি জানি না এবং আমি আগামী শুক্রবার এলাকায় যাবো। এ বিষয়টি নিয়ে আলাপ করবো। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়,বন্দর লেজারার্স এলাকার সাইদুর রহমানের ছেলে স্কুলছাত্র গত বুধবার তার নানার বাড়ি বালুচর তমুদরদী গ্রামে বেড়াতে যায়। রাত ১০টায় তমুদরদী জামে মসজিদের ইমাম আবদুল মালেক তাকে নাতে রাসুল পড়ানোর নাম করে তার শয়ন কক্ষে নিয়ে যায়। পড়ানোর এক পর্যায়ে লম্পট মালেক কিশোরকে জোরপূর্বক বলাৎকার করে।

এ ঘটনা জানাজানি হলে এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে গেলে লম্পট ইমামকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করে মসজিদ কমিটির সেক্রেটারী গিয়াসউদ্দিন,গোলে মাওলা ও তার ছেলে শফিকুল ইসলাম,আনোয়ার,বাতেন,আউয়াল গং। লম্পট ইমামকে ছেড়ে দেয়ায় এলাকাবাসীর মাঝে চরম চরম ক্ষোভের সঞ্চার বিরাজ করছে। এলাকাবাসী আরো বলেন, আক্তার হোসেন লম্পট ইমামকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করেছে । এখন তাকে পূর্নবহালের জন্য পাঁয়তারা চালাচ্ছে এবং তিনি এলাকায় বলে বেড়ান এই মসজিদে আর কোন ইমাম আসবেনা যতক্ষন পর্যন্ত ঐ মাওলানা না আসবে। তাকে ফিরিয়ে আনার জন্য ইমামের সাথে কথা হয়েছে সে আবার মসজিদে আসবে। সচেতন মহল গ্রামের সাধারন মানুষের স্বার্থে এই লম্পট ইমাম ও দালাল চক্র’র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালামের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।

শেয়ার করুনShare on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Pin on Pinterest0Print this pageEmail this to someoneShare on Tumblr0

Leave A Reply