শীতলক্ষ্যা নদীতে ৫ চাঁদাবাজ গ্রেফতার

0

বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম

শীতলক্ষ্যা নদীতে চাঁদাবাজিকালে ৫ চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তারাবো সুলতানা কামাল ব্রীজের নীচে শীতলক্ষ্যা নদীতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত হলো নূর আলম ভূইয়া (৪৯), মন মোহন বিশ্বাস (৩৫), ইলিয়াস ফকির (৪৩) সোহানুর রহমান ওরফে সুমন প্রধান (২৫) ও ওমর ফারুক (৩৪)। তাদের প্রত্যেকের বাড়ি রূপগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা। এ সময় তাদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের ৯৮ হাজার টাকা এবং ৮টি চাঁদার রশিদ বই উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা হয় চাঁদাবাজির কাজে ব্যবহৃত ইঞ্জিন চালিত নৌকা। গতকাল দুপুরে র‌্যাব-১১’র আদমজী সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী অধিনায়ক এএসপি জসিম উদ্দিন চৌধুরী।
সংবাদ সম্মেলনে আরো জানোনো হয়, একটি অসাধুচক্র রূপগঞ্জের তারাব এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীতে চলাচলরত নৌযানগুলোকে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করে আসছে। নৌপথে চাঁদাবাজির অভিযোগের সত্যতা পেয়ে সন্ধ্যায় তারাব সুলতানা কামাল ব্রীজ এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ইঞ্জিনচালিত নৌকা দিয়ে নদীতে চলাচলরত নৌযান হতে বিশেষ করে কয়লা, পাথর ও বালুবাহী বাল্কহেড হতে জোরপূর্বক চাঁদা আদায়কালে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন নৌযান হতে চাঁদা আদায়ের ৯৮ হাজার ৬’শ টাকা ও চাঁদা আদায়ের রশিদ বই উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত নুর আলম ভূইয়া নিজেকে বিআইডব্লিউটিএ এর ইজারাদার দাবী করে একটি শুল্ক আদায়ের অনুমতি পত্র ও ১টি চুক্তিপত্র প্রদর্শন করে। অনুমতি পত্রে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে ‘নদী পথে চলাচলরত নৌযান হতে কোন প্রকার শুল্ক আদায় করা যাবে না।’ এবং চুক্তিপত্রে উল্লেখ রয়েছে ‘বিআইডব্লিউটিআই এর ঘাট বা পল্টুন ব্যবহার করে ৫’শ টন পর্যন্ত মালামাল লোড-আনলোড করলে সবোর্চ্চ ২’শ টাকা র্চাজ নিতে পারবে।’ কিন্তু এই অসাধু চক্র সব নীতিমালা লঙ্ঘন করে দীঘদিন ধরে নৌপথে চাঁদাবাজি করে আসছে। সিলেট থেকে পাথর কয়লা ও বালুবাহী বাল্কহেডগুলো শীতলক্ষ্যা নদী দিয়ে নরসিংদী, গাজীপুর, কিশোরগঞ্জ সহ বিভিন্ন জেলায় যাতায়াত করে থাকে। এই নৌ-যানগুলোর নৌ-শ্রমিকদের ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে চাঁদা আদায় করে আসছে।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.