ষড়যন্ত্রকারীদের শামীম ওসমানের নেতাকর্মীরা কোন ছাড় দিবে না-সানি

0

বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্রকারীদের সাংসদ শামীম ওসমানের নেতাকর্মীরা কোন ছাড় দিবে না বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শেখ সাফায়েত আলম সানী।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার বিকেলে চাষাঢ়া শহীদ মিনারে ১১ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগে আয়োজিত শোকসভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

তিনি আরো বলেন, গোয়ান্দা রিপোর্টে জানা যায় জিয়াউর রহমানের কুলাঙ্গার পুত্র তারেক রহমান এই আগষ্ট মাসে প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার ও দেশ ধ্বংসের পরিকল্পনা করেছে। ২০০৪ সালেও গ্রেনেট মেরে এই কুলাঙ্গার তারেক রহমান জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে। সেই সময় অনেক নেতাকর্মীকে নির্মমভাবে প্রান দিতে হয়েছে। গোয়ান্দা রিপোর্ট বলছে তারেক রহমান এই মাসে দেশে ঢুকতে চেয়েছিল। তারেক রহমানকে স্মরন করিয়ে দিতে চাই এটা ১৯৭৫ বা ২০০৪ সাল নয় এটা ২০১৮ সাল। জননেতা সাংসদ শামীম ওসমানের নেতাকর্মীরা এখনো বেঁচে আছে। যদি কোন প্রকার ষড়যন্ত্র করা হয় ছাত্রলীগ সহ আওয়ামীলীগের প্রতিটি নেতাকর্মী কোন ছাড় দিবে না।

তিনি আরো বলেন, ১৯৭৫ সালে মোস্তাকরা পরিকল্পনা করে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে। শিক্ষার্থীরা যেখানে নিরাপদ সড়কের দাবিতে উত্তাল প্রধানমন্ত্রী তাদের দাবি মেনে নিয়েছেন। ঠিক তখন সুজনের সম্পাদক ড. বদিউল আলম এর বাসায় ড. কামাল ও আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ষড়যন্ত্র তৈরি করছে। এই সুশীল নামের বুদ্ধি বেশ্যারা নীল নকশা করছে আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা করার। এই বুদ্ধি বেশ্যাদের আমি বলে দিতে চাই তোদের ষড়যন্ত্র কোন দিনও সফল হবে না। দেশ রত্ন শেখ হাসিনা ও তার আস্থাভাজন সৈনিক শামীম ওসমানের প্রতিটি নেতাকর্মী পাশে ছিল, আছে এবং থাকবে। যে কোন কিছুর বিনিময়ে মোকাবেলা করবে। তোদের কোন ছাড় দিবে না।

তিনি আরো বলেন, এই আগষ্ট মাস শোকের মাস। এই শোকের মাসে স্বাধীনতা বিরোধী নরপিশাচরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে। আর এখন তাদেরই বংশ ধর জামাত শিবির ও সুশীল বামরা দেশ ধ্বংসের পায়তারা চালাচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর যোগ্যতা হল তিনি দেশের মানুষকে ভালবাসতেন। কিন্তু দেশেরই কিছু কুলাঙ্গার বঙ্গবন্ধুকে তার পরিবার সহ হত্যা করেছে। তার সুযোগ্য কন্যা তার আদর্শ নিয়ে এ দেশের প্রতিটি মানুষকে ভালবাসেন। তিনি এ দেশের জনগনের জন্য দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। একজন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার তেমন কোন সম্পদ নেই। তার সবচেয়ে ব্ড় সম্পদ তার সুযোগ্য পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় ও কন্যা পুতুল। বর্তমানে সজীব ওয়াজেদ জয় তার মায়ের সাথে দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি দেশের আইটি সেক্টরে ব্যাপক উন্নয়ন ঘটিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, দলের ভিতর লুকিয়ে থাকা হাইব্রিডদের সনাক্ত করতে হবে। ছাত্রলীগে যাতে কোন অনুপ্রবেশকারী না ঢুকতে সে দিকে নজর রাখতে হবে। হঠ্যাৎ করে আসা সুবিধাভোগীদে ছাত্রলীগের নাম ব্যবহার করে কোন প্রকার অপরাধ করতে দেওয়া যাবে না। প্রধানমন্ত্রীর সাথে একমত পোষন না করে দ্বিমত পোষনকারী সেই সব ছাত্রলীগকে দল থেকে বিতারিত করতে হবে।এই ধরনের অনুপ্রবেশকারীদের ব্যপারে সজাগ থাকতে হবে।

 

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.